বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ৩০শে জুলাই….বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার হাত ধরে খোয়াইতে বিভিন্ন প্রকল্পের উৎভোধন হয়। তিনি প্রথমেই এ আই অঙ্গনওয়ারি সেন্টারের উৎভোধন করেন এর পাশাপাশি একটি নতুন ব্যায়ামাগারের উৎভোধন করেন।এর পর খোয়াই নতুন টাউন হলে শববাহী গাড়ি সহ অনেকগুলি বর্জ পদার্থ বহনকারী গাড়ি গুলিকে পতাকা নেড়ে চালিত করেন।এর পর খোয়াই নতুন টাউন হলে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উৎভোধক মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া ছিলেন মন্ত্রী টিন্কু রায়, বিধায়ক পিনাকি দাস চৌধুরী, খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি অপর্না সিংহ রায়, জেলা শাসক রজত পন্থ,পুর পরিষদের চেয়ারম্যান দেবাশীষ নাথ শর্মা, পুলিশ সুপার জদ্বীশ্বর বোগাডি রেড্ডি,এস সি কমিটির চেয়ারম্যান সমীর কুমার দাস সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে গর্ভ কালিন মহিলাদের পুষ্টিকর খাবারের কিট প্রদান করেন এবং কয়েক জন স সহায়ক দলের মহিলাদের ৫০ হাজার টাকার ডেমো চেক তুলে দেন। এবং এই মঞ্চ থেকে ভার্চুয়াল মিটিং এর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক বুঝতাম টিপে আরো বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এবং কয়েক জন ডাক্তার এর হাতে ও পি ডি কিট তুলে দেন। বৃহস্পতিবার খোয়াই নতুন টাউন হল থেকে মুখ্যমন্ত্রী যে সকল প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তাতে খরচ হয় ৮ কোটি ৯ লক্ষ ১৩হাজার টাকা বলে তিনি জানান। এবং বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি আরো বলেন এই ধরনের বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধনের নমুনা দেখে বুঝা যাচ্ছে বর্তমানে রাজ্যে উন্নয়ন এর জোয়ার চলছে।এই ধরনের উন্নয়ন এর কাজের পরিসংখ্যান নিয়ে সরকার এগিয়ে চলেছে বা চলতে চান। এবং খোয়াইতে এই ধরনের বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করতে এসে তিনি খুবই খুশি।কারন তিনি বুঝতে পারছেন বর্তমান সময়ের সরকার জনকল্যাণ মুখি কাজ করছেন। এছাড়াও আগামী দিন এই ধরনের বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করা হবে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। তিনি এও বলেন যেসকল ভাতা বন্ধ ছিল তা চালু করা হয়েছে।ধিরে ধিরে সবাই সেই ভাতা পেয়ে যাবেন।২০৮ নং জাতীয় সড়ক এর বেহাল দশার কথাও উল্লেখ করেন এবং বলেন এই সড়কের কাজ শেষ হতে সময় লাগবে।কারন বর্ষার মরসুম তাই দেরি। অন্যদিকে বিরোধী দলের লোকজন কেমেরা নিয়ে পাহাড়ে বসে থাকে কখন মুখ্যমন্ত্রী এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে ফেসে যার তার ছবি তুলে অপপ্রচারের জন্য ব্যাস্ত থাকে দেখাযায়।এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি বলেন বিগত দিনের ইতিহাস ত আর বলে লাভ নেই যে এই ধরনের কাজের ক্ষেত্রে তারা কি ধরনের ভোগান্তি দিয়েছে জনগণকে।এরপর সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনা করেন যে কি ভাবে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উদ্দোগে সেই সব প্রকল্প গুলি সাধারণ জনগণের কাছে লাগছে।এই অনুষ্ঠানের পর বিকেল ৪টায় চলে যান বাইজাল বাড়ি স্কুল মাঠে। সেখানে রামচন্দ্র ঘাট বিধান সভা এলাকার তিনটি স্কুলের দ্বীতল ভবন তৈরি করার জন্য ২৫ কোটি ৫০ লক্ষ্য টাকা ব্যয়ে তিনটি স্কুল বিল্ডিং এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন বৈদ্যুতিক বুঝতাম টিপে।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক রনজিত দেববর্মা,এম ডি সি জেমস্ দেববর্মা,সহ খোয়াই টাউন হলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য অতিথিরাও। সেখানে ও মুখ্যমন্ত্রী কাজের অগ্রগতির কথা বলেন এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার মান আরো বাড়াতে যে হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।



