সামাজিক রীতিনীতি মেনে বিয়ের পর সুখের সংসারের স্বপ্ন দেখেছিলেন আগরতলা শহরতলির নতুন নগর এলাকার বাসিন্দা সুস্মিতা সাহা। তবে তাঁর অভিযোগ, সংসারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনও সমস্যা না থাকলেও শাশুড়ি ও দেবরের আচরণের কারণে দাম্পত্য জীবনে নেমে আসে অশান্তি। বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সুস্মিতা সাহা অভিযোগ করেন, বামুটিয়া কালিবাজার এলাকার বাসিন্দা সুমন বর্মনের সঙ্গে কয়েক বছর আগে সামাজিকভাবে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই শাশুড়ি ও দেবরের কাছ থেকে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয় তাঁকে। পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে ওঠায় স্বামীকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন।
তাঁর আরও অভিযোগ, এরপর পরিকল্পিতভাবে শাশুড়ি ও দেবর তাঁর স্বামীকে তাঁর কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেন। গত কয়েক মাস ধরে স্বামী সুমন বর্মনের কোনও খোঁজ পাচ্ছেন না বলে দাবি করেন সুস্মিতা। স্বামীকে ফিরে পেতে তিনি এয়ারপোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেও এখনও পর্যন্ত কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তাঁর। এই পরিস্থিতিতে হতাশ হয়ে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সুস্মিতা সাহা। তিনি প্রশাসনের কাছে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তাঁর স্বামীকে খুঁজে বের করে পুনরায় একসঙ্গে থাকার সুযোগ করে দেওয়ার আবেদন জানান। উল্লেখ্য, গৃহবধূর এই অভিযোগ সম্পূর্ণ তাঁর বক্তব্যের ভিত্তিতে। অভিযুক্ত পক্ষ বা পুলিশের প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে তদন্তের পরই প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে।



