তপশিলী জাতি সম্প্রদায়ের শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষার দাবিতে সরব হলো ত্রিপুরা তপশিলী জাতি সমন্বয় সমিতি। ১২ দফা দাবি নিয়ে বুধবার তপশিলী জাতি কল্যাণ দপ্তরের সহ-অধিদপ্তরের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করেছে সংগঠনটি।
বুধবার ত্রিপুরা তপশিলী জাতি সমন্বয় সমিতির সদর মহকুমা কমিটির উদ্যোগে তপশিলী জাতি কল্যাণ দপ্তরের সহ-অধিদপ্তরের নিকট ১২ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ দাস জানান, তপশিলী সম্প্রদায়ভুক্ত ছাত্র-ছাত্রী, শ্রমজীবী, মৎস্যজীবী, চর্মশিল্পী এবং হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ও সার্বিক কল্যাণের লক্ষ্যেই এই দাবিগুলি উত্থাপন করা হয়েছে।
স্মারকলিপিতে তপশিলী সম্প্রদায়ভুক্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সকল স্তরের স্টাইপেন্ড ও স্কলারশিপ সময়মতো প্রদান, ছাত্রাবাসগুলির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিদর্শন, লন্ড্রি জীবী ও মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি হরিজন সম্প্রদায়ের অনিয়মিত কর্মীদের নিয়মিতকরণ, সরকারি আবাসনগুলির উন্নত পরিচর্যা এবং চর্মশিল্পীদের জন্য অনুদান ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহের বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়।
এছাড়াও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের হাতে জলাশয় হস্তান্তর, তপশিলী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা এবং ড. বি. আর. আম্বেদকর মেধা পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধির দাবিও জানানো হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাবিগুলি দ্রুত কার্যকর না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথেও হাঁটতে পারে তারা। এখন দেখার, প্রশাসন এই দাবিগুলির বিষয়ে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।



