Sunday, April 19, 2026
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদভোট গননা শেষ হতেই বিজেপি দলের সমর্থকদের বাড়ি ঘড়ে সন্ত্রাস চলার তিপরা...

ভোট গননা শেষ হতেই বিজেপি দলের সমর্থকদের বাড়ি ঘড়ে সন্ত্রাস চলার তিপরা মথা দলের কর্মীরা তাতে ১৮৪ জন বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নেয় জেলা কার্যালয়ে।এই খবর পেয়ে ছুটে আসেন ক্রিড়া মন্ত্রী টিন্কু রায়।

বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১৮ই এপ্রিল….১৭ ই এপ্রিল সমাপ্ত হল এ ডি সি নির্বাচনের ভোটের ফলাফল।তাতে ২৪ টি আসন নিয়ে তিপরা মথার দল পুনরায় এ ডি সিতে ক্ষমতায় আসে। তাতে দেখা গেছে এডিসি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরেই অভূতপূর্ব এক রাজনৈতিক সন্ত্রাস শুরু হয় খোয়াই জেলার ৯ হালাহালি আশারামবাড়ি এবং ১০ নং কুলাই চাম্পাহাওড় এবং ১২ নং আসন রামচন্দ্র ঘাট নির্বাচনক্ষেত্রের বিভিন্ন এলাকায়। এই নির্বাচনী সন্ত্রাসের কারণে প্রায় ১৮৪ জন বিজেপি দলের কর্মী সমর্থকরা নিজেদের আত্ম রক্ষার খোয়াই জেলা কার্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। হালাহালি আশারাম বাড়ির অন্তর্গত কচু বাড়ি এলাকায় শুক্রবার রাতে তিপরা মথা দলের সমর্থকরা ঐ এলাকার রাজকুমার দেববর্মার বাড়িটি পুড়িয়ে দেয় এতে উনার ঘড়ের কাগজপত্র, আসবাবপত্র, টাকা পয়সা স্বর্ণালংকার সহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অন্যদিকে কুলাই চাম্পা হাওর কেন্দ্রের পূর্ব রাজনগর এলাকার যুব মোর্চা সভাপতি সুতম্বর দেববর্মার বাড়িটি ভাঙচুর করে অগ্নি সংযোগ করা হয়। ঐ এলাকার রোজেল দেববর্মা নামে আরেক কর্মীর বাড়ি থেকে শূকর নিয়ে যায়। ১২ নং আসন রামচন্দ্র ঘাট এলাকার বিজেপি দলের মনোনীত প্রার্থী ডেভিড দেববর্মার বাড়িতে আক্রমণ করা হয় । আমপুরা এলাকার বিজেপি দলের বুথ সভাপতি দ্বৈপায়ন দেবর্বমার বাড়িতে তিপরা মথা দলের সমর্থকরা হামলা চালায়। শেষে ছেলে কে বাড়িতে না পেয়ে উনার বাবা নৃপেন্দ্র দেববর্মা কে লাকড়ী দিয়ে আঘাত করলে তাতে নৃপেন্দ্র বাবুর হাত ভেঙ্গে যায়।রামচন্দ্রঘাট এলাকায় সরন্জিত দেবর্বমার বাড়িতে ও আক্রমণ করে এবং আসবাবপত্র ভেঙে তছনছ করে দেয়। শেষে এই ঘটনার খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে সরজমিনে ঐ সব এলাকা পরিদর্শন করতে আসেন ক্রিড়া মন্ত্রী টিংকু রায়। সাথে ছিলেন বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী, জেলা সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার দাস, মন্ডল সভাপতি অনুকূল দাস,বিনয় দেববর্মা সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।ওই সব এলাকায় যখন মন্ত্রী টিন্কু রায় পরিদর্শনে যান তখন উনাকে দেখে ঐসব এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মহিলারা বুক চাপড়ে আর্তনাদ করে কাঁদতে কাঁদতে মন্ত্রীর কাছে শুক্রবার রাতের সেই ভয়াবহ ঘটনা ও দৃশ্য গুলির বর্ননা দিতে থাকেন। শেষে মন্ত্রী সবাইকে সান্ত্বনা দেন যে সমস্ত বিষয়টি তারা দেখছেন এবং ঐ সব এলাকার মথার নেতৃত্বদের সাথে কথা বলেছেন বলে জানান। যাতে করে এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। এবং দলের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলিকে কিভাবে সাহায্য করা যায় যা নিয়ে দল চিন্তা ভাবনা করছে বলে জানান মন্ত্রী টিন্কু রায়।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

2 × 1 =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য