বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১লা মার্চ….জমি সংক্রান্ত বিবাদ কে কেন্দ্র করে প্রাক্তন জমির মালিকের ছেলে ও আত্মীয়-স্বজন মিলে বর্তমান জমির মালিক তুলসী দাস ও তার পরিবারের আরো দুইজনকে বেধরক ভাবে মের হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে জমির মালিক তুলসী দাস জানান ১৯৯৭ সালের দাঙ্গার পর খোয়াই লালটিলা এলাকার একটি জমি ক্রয় করেন। এই জমিটি ক্রয় করা হলেও সরকারিভাবে এই জায়গাটি রেজিস্টার হয়নি। কারণ সরকারিভাবে এই জায়গাটি রেজিস্টার হয় না,।সেই মোতাবিক তৎকালীন জমির মালিক মৌখিকভাবে এবং এলাকার পঞ্চায়েত সহ বেশ কয়েকজনকে সাক্ষী রেখে এই জায়গাটি ক্রয় করেন। এখন প্রাক্তন জাগার মালিকের ছেলে এবং আত্মীয় পরিজনরা জায়গাটি দাবি করছেন অর্থাৎ দখলমুক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পঞ্চায়েত এর উদ্যোগে দুই তিনবার সালিশি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সালিশি সভায় বর্তমান জায়গার মালিক তুলসী দাসের পক্ষেই রায় ঘোষণা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে এই সংশ্লিষ্ট জমিটি নিয়ে প্রাক্তন জমির মালিকের ছেলে এবং আত্মীয় পরিজনরা বর্তমান মালিক তুলসীদাস কে হুমকি ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন জমিটি ছাড়ার জন্য। শেষে রবিবার সকাল ১১টায় প্রাক্তন মালিকের ছেলে এবং আরও ২-৩ জন মিলে বর্তমান জমির মালিক তুলসীদাস ওনার স্ত্রী এবং উনার ছেলেকে মারধর করেছেন। ঘটনাটি রামচন্দ্র ঘাট বিধানসভার অন্তর্গত লালটিলা এলাকাতে। তুলসীদাস আরো জানান চান মোহন দাস, নয়ন দাস পরিচয় দাস, এই তিনজনে মিলে দীর্ঘদিন ধরে তুলসীদাস ও তার পরিবারের লোকজনকে চাপ দিতে থাকেন জমিটি ছেড়ে দেওয়ার জন্য। যথারীতি রবিবার সকালে এই মারধরের ঘটনা সংগঠিত করে তারা। তুলসী দাস জানান ১৯৯৭ সনে এই জমিটি ক্রয় করে ছিলেন। একপ্রকার স্থানীয় পঞ্চায়েতের এই রায়কে অবজ্ঞা করে আজ তুলসীদাস ওনার স্ত্রী এবং উনার ছেলেকে মারধর করেছেন অভিযুক্তরা। তুলসীদাস জানিয়েছেন গোটা বিষয়টি জানিয়ে তিনি থানায় মামলা করবেন। গোটা ঘটনাটি আজ খোয়াই জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে জানিয়েছেন বর্তমান জায়গার মালিক তুলসী দাস ।এখন দেখার বিষয় পুলিশ গোটা ঘটনাটিকে নিয়ে কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সেটাই দেখার বিষয়।



