Friday, February 20, 2026
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদখোয়াই আশারাম বাড়ি চামাবস্তি এলাকায় সিমান্ত রক্ষি বাহীনির সন্ত্রাস, শুন্যে গুলি আহত...

খোয়াই আশারাম বাড়ি চামাবস্তি এলাকায় সিমান্ত রক্ষি বাহীনির সন্ত্রাস, শুন্যে গুলি আহত গর্ভবতী মহিলা সহ আরেক বৃদ্ধা।

বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২১শে ফেব্রুয়ারি…. খোয়াই আশারাম বাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের চামাবস্তি এলাকায় সিমান্ত রক্ষি বাহীনির সন্ত্রাস। তাতে করে কয়েক রাউন্ড গুলি গভীর রাতে বাড়িতে ঢুকে দরজা ভেঙ্গে এক গর্ভবতী মহিলার পেটে আঘাত এবং ষাট উর্দ্ধ মহিলাকে টর্চ লাইট দিয়ে মাথায় আঘাত।বাড়িতে ঢুকে অতর্কিত নির্যাতনের অভিযোগ দায়িত্বপ্রাপ্ত সিমান্ত বাহিনীর বিরুদ্ধে। রাতেই আহত দুজনকে নিয়ে আসা হয় খোয়াই জেলা হাসপাতালে।এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।ঘটনার বিবরণে জানা যায় আশারাম বাড়ি চামাবস্তি এলাকার সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর বাইক নিয়ে এসে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডেন্ট অনিল কুমার নাকি বৃহস্পতিবার দুপুরে কোন এক অভিযোগমূলে চামাবস্তি এলাকার সুষংকর দেবকে প্রচন্ড মারধর করে।এরপর ঘটনাটি এলাকায় পঞ্চায়েত প্রধানকে জানিয়ে পরবর্তীতে উনি চিকিৎসা নিতে খোয়াই জেলা হাসপাতালে আসেন। তখনই নাকি হঠাৎ ওনার কাছে ফোন আসে বাড়ির সামনে এসে শূন্যে গুলি করতে করতে বাড়িতে প্রবেশ করে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর ১০ থেকে ১৫ জন জোয়ান ।গুলির বিকট শব্দ পেয়ে উনার মা রাতে ঘর থেকে বের হয়ে টর্চ নিয়ে এগিয়ে যায়। এগিয়ে যাওয়ার পরে সে সময় নাকি টচ ছিনিয়ে নিয়ে উনার মাথায় আঘাত করে জোয়ানরা। পরবর্তীতে উনার ঘরে প্রবেশের সময় কোন ধরনের মহিলা সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকে না নিয়ে গিয়ে দা দিয়ে ঘরের দরজায় আঘাত করে দুটি দরজা ভেঙ্গে ফেলে এবং বিছানাতে শুয়ে থাকা উনার ভাতিজিকে বিছানা থেকে টেনে হিচড়ে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এছাড়াও উনি অভিযোগ করে জানিয়েছেন, সাতমাসের অন্তঃসত্ত্বা বৌদিকে সজোরে ধাক্কা মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়। তাতে ওই গর্ভবতী মহিলার পেটে ভিষন আঘাত লাগার কারণে গর্ভ জন্রনায় কাতরাচ্ছিলেন ।উনার বিরুদ্ধে কি অভিযোগ রয়েছে এই বিষয়টি বৃহস্পতিবার দুপুরে জানতে চাইলে তাকে নাকি জানিয়ে দেওয়া হয় উনাকে জবাব দিতে রাজি নয় ওনারা। উনি জানিয়েছেন উনার মার নাম নমিতা দেব বয়স ৬০ বছর। এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলাও আহত হয়েছে। গোটা ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়ে যায়। এখনো প্রশ্ন হল সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর সীমান্ত সুরক্ষার জন্য যেকোনো ধরনের অবৈধ কার্যকলাপ বন্ধ করার জন্য তাদের কাজ করতেই পারে। এটা ওনাদের কাজ কিভাবে সীমান্তে বিভিন্ন দু নম্বরি কার্যকলাপ বন্ধ করা যায়। কিন্তু এই পন্থা কি এরকম! যদি উনাদের অভিযোগ সত্য বলে ধরা হয় তাহলেতো দেশের স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে ভাবতে হবে এই সমস্ত বিষয় নিয়ে! অপরাধী একজন হলে তার জন্য কি পুরো পরিবারকে ভুগতে হবে! কেউ আবার সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে আহত হতে হবে! ঘটনার সুষ্ট তদন্ত হোক। এমনটাই চাইছে গোটা গ্রামবাসী। গোটা বিষয় নিয়ে আশারাম বাড়ির সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কি প্রতিক্রিয়া সে সেটাই এখন দেখার। তবে তাদের দ্বারা এই নেক্কারজনক ঘটনাটিকে ধামাচাপা দিতে সিমান্ত রক্ষি বাহীনির উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা ব্যাপক ভাবে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। এবং অন্য দিকে বৃহস্পতিবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আশারাম বাড়ি এলাকার চামা বস্তিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে খবড় রয়েছে।আর অন্য দিকে সিমান্তে কর্মরত থাকা সত্বেও বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত চোরের দল সিমান্ত পেরিয়ে খোয়াই মহকুমার বিভিন্ন এলাকা থেকে গরূ চুরি করে পুনরায় সিমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে চলেযায়।কই তখন তো তাদের কে ধরেনা সিমান্ত রক্ষি বাহীনি। তারা থাকতে সিমান্ত পেরিয়ে কি ভাবে প্রবেশ করে বাংলাদেশি চোরের দল।তাহলে এটা বলা যায় সিমান্ত রক্ষি বাহীনির সাথে চোরদের যোগসাজশে এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। অন্যদিকে ঐ গর্ভবতী মহিলার পেটের বাচ্চাটি যদি নষ্ট হয়ে যায় তাহলে এর দায়ভার কে বহন করবে সেই প্রশ্নটাই উঠেছে।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

1 × four =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য