Friday, January 9, 2026
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদখোয়াই এর বিধায়ক কে ব্রাত্য রেখেই সম্পন্ন হল খোয়াই জেলাভিত্তিক মৎস্যমেলা খোয়াই...

খোয়াই এর বিধায়ক কে ব্রাত্য রেখেই সম্পন্ন হল খোয়াই জেলাভিত্তিক মৎস্যমেলা খোয়াই মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে।

বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ৮ই জানুয়ারি.……খোয়াই এর স্থানীয় বিধায়ক কে ব্রাত্য রেখেই খোয়াই জেলা ভিত্তিক মৎস্য মেলা করলেন খোয়াই মহকুমা মৎস্য দপ্তর। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গত কিছুদিন আগে খোয়াই জেলা হাসপাতালের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসে বলে গিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা যেন সরকারি অনুষ্ঠান গুলিতে নিমন্ত্রণ পায়। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর আদেশ কে অমান্য করে অনেকটা বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে স্থানীয় বিধায়ককে নিমন্ত্রণ না করে জেলা ভিত্তিক মৎস্যমেলা সম্পূর্ণ করলেন । বুধবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এই মৎস্য মেলাতে উৎভোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য বিধানসভার মুখ্য সচেতক শ্রীমতি কল্যাণী সাহা, বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী, বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা, খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি অপর্ণা সিংহ রায়, বিশিষ্ট সমাজসেবী সমীর কুমার দাস, খোয়াই জেলা শাসক রজত পান্থ, মৎস্য দপ্তরের খোয়াই মহকুমা আধিকারিক বিজয় কান্তি ঘোষ সহ অন্যান্যরা।
প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত সময় সূচি থেকে দেড় ঘন্টা দেরি করে জেলাভিত্তিক মৎস্যমালার শুভ সূচনা হয়। এই মেলাতে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল একেবারেই নগণ্য। অথচ এই মেলা করতে গিয়ে রাজ্য সরকারের লাখ লাখ টাকা খরচ করেছে দপ্তর অথচ মেলাতে জনগণের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। মৎস্য মেলাতে মাছ বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে কিন্তু মেলাতে আগত সাধারণ অংশের জনগণের অভিযোগ বাজার থেকে চড়া দামে মাছ বিক্রি করছেন মাছ চাষিরা তাও হাতে গুনা কয়েকন মাছ ব্যবসায়ী তাদের ষ্টল দিয়েছেন। তবে মেলাতে আগত বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা খোয়াই মৎস্য দপ্তরকে অনুরোধ করেন এই সময়ে অর্থাৎ ডিসেম্বর মাস এবং জানুয়ারি মাসে খোয়াই মহকুমার বিভিন্ন উপজাতি এলাকার জলাশয় গুলি শুকিয়ে যায় তার জন্য যাতে মৎস্য দপ্তর যথাযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেন ঐ এলাকার মৎস্য চাষিদের জন্য।অন্য দিকে এক সূত্র মারফত খবর পাওয়া যায় এই সমস্ত দিক নিয়ে খোয়াই মৎস্য দপ্তরের আধিকারিক বিজয় কান্তি ঘোষ কোন ধরনের খোঁজ খবরই রাখেন না। মহকুমা মৎস্য আধিকারিক চাষীদের কথা এতই চিন্তা করেন! যে কারনে অফিসের নির্ধারিত সময়ে মৎস্য চাষীদের কাজ শেষ না করতে পেরে নাকি প্রতি রাতেই অফিসের আরো দুই জন ওনার সাগরেদ দের নিয়ে অফিসে রাত্রি যাপন করেন!যদিও উনি বিভিন্ন জনের কাছে বলে থাকেন মৎস্যচাষী দের মৎস্য চাষের হিসাব এত পরিমান সরকারি নির্ধারিত সময়সূচির মধ্যে শেষ করা সম্ভব নয়। তাই তিনি অফিসে রাত্রে যাপন করে হিসাব নিকাশ শেষ করতে হয়।আর তিনি কি ধরনের অফিশিয়াল হিসাব নিকাশ শেষ করেন তার স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছিলো যায় প্রকৃত প্রমাণ বা উদাহরণ মৎস্য মেলার দৃষ্টি গোচর হল।এমনও খবর রয়েছে জেলা ভিত্তিক মৎস্য মেলায় ১৫ ফুটের একটি সাধারণ মঞ্চ তৈরি করার জন্য আগরতলা থেকে মঞ্চ তৈরির লোককে আনা হয়। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এই ধরনের মঞ্চ তৈরির করার লোক কি খোয়াই তে ছিলনা? এই মেলা নিয়ে মেলায় আগত সবাই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।একেত মাছের দাম ছিল বেশি এর পাশাপাশি এই মেলার আপেল কুল বড়ই বিক্রি করা হয় ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে। অথচ একই বড়ই খোয়াই বাজারে বিক্রি করা হয় ৬০/৮০ টাকা কেজি দরে তাহলে এই মেলার কি মাহিত্য রইল সাধারণ মানুষের জন্য। তাছাড়া যদি এত ভজভজ করতে ব্যাস্ত থাকেন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে তাহলে তো এমনই হাল হবে এই ধরনের মেলার বলে উক্তি করেছেন সাধারণ মানুষ।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

twenty − 11 =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য