রাজ্যবাসীর কাছে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে রাজ্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। আগে রাজ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক কম থাকায় রাজ্যের প্রতিটি জেলায় বা মহকুমায় হাসপাতালগুলিতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেওয়া যেত না। বর্তমানে ৪৫ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগের ফলে সেই ঘাটতি কিছুটা হলেও পূরণ করা যাবে। অদূর ভবিষ্যতে রাজ্য সরকার আরও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগের জন্য উদ্যোগ নেবে। আজ আগরতলার প্রজ্ঞাভবনে ৪৫ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা একথা বলেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের মানুষের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজ্য সরকার চিকিৎসা পরিষেবা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারা এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করছে। ২০১৮ সালের পর থেকে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য শিক্ষিত যুব সমাজকে দক্ষতা বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলা। ত্রিপুরাও বিভিন্ন ক্ষেত্রে ক্রমশ আত্মনির্ভর হয়ে উঠছে। রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি হওয়ায় বর্হিরাজ্যে রোগী রেফারের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন নবনিযুক্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ রাজ্যবাসীর সেবায় আত্মনিয়োগ করবেন। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যদপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে বলেন, রাজ্যে চিকিৎসকের ঘাটতি পূরণ করতে ২১৫ জন চিকিৎসক নিয়োগ করা হবে। বিভিন্ন জেলা ও মহকুমা হাসপাতালগুলির ইতিমধ্যেই আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। সারা রাজ্যেই চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নত করার কাজ চলছে। রাজ্যবাসীকে উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া রাজ্য সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব রাজীব দত্ত। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা ডা. তপন মজুমদার। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এনএইচএম মিশন ডিরেক্টর সাজুবাহিদ এ, মেডিক্যাল এডুকেশন দপ্তরের অধিকর্তা প্রফেসর ডা. এইচ পি শর্মা, পরিবার কল্যাণ ও রোগ প্রতিরোধক দপ্তরের অধিকর্তা ডা. অঞ্জন দাস।