স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে আজ সকালে ত্রিপুরা বিধানসভা প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমেই আমাদের দেশ স্বাধীন হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে বিধানসভার সচিব সহ অন্যান্য আধিকারিক ও কর্মচারিগণ উপস্থিত ছিলেন।
আজ সকালে সচিবালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী রতনলাল নাথ। তিনি আরক্ষাবাহিনীর কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বহু বীর শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। যেকোন মূল্যেই আমাদের দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে তিনি বলেন, ২০১৪ সালের পর থেকে উল্লেখযোগ্য ভাবে দেশের আর্থিক প্রগতি ঘটেছে। ভারত বর্তমানে বিশ্বে ৪র্থ অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। সেই লক্ষ্যেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব ড. পি কে চক্রবর্তী, সচিব ইউ কে চাকমা, সচিব টি কে দেবনাথ, সচিব তাপস রায় সহ সচিবালয়ের আধিকারিক এবং কর্মচারিগণ। স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ছোটদের মধ্যে অনুষ্ঠিত বসে আঁকো প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের কৃষিমন্ত্রী সহ অন্যান্য আধিকারিকগণ পুরস্কৃত করেন।
স্বাধীনতা দিবস পালন কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা। ত্রিপুরা পুলিশের জওয়ানগণ জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন এবং মুখ্যমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতা দিবস আমাদের সকলের জন্য গৌরবের দিন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ভারতবর্ষ উন্নতির শিখরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ত্রিপুরা সহ দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলিও উন্নতির দিকে এগিয়ে চলছে। তিনি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।