রবিবার যথাযথ মর্যাদায় প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে পালিত হয় ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী জন্ম দিবস। তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ব্যারিস্টার এবং শিক্ষাবিদ। তিনি জওহরলাল নেহেরুর মন্ত্রিসভায় ভারতের প্রথম শিল্প ও সরবরাহ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া, তিনি ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। উনার জন্ম দিবস উপলক্ষে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে যথাযথ মর্যাদায় নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন উনার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাক্তার মানিক সাহা এবং প্রদেশ বিজেপি সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য। বলা চলে ডক্টর
শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালন শুধুমাত্র একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তার জীবন ও কর্মের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার একটি প্রচেষ্টা। তার দেশপ্রেম, অটল নীতিবোধ এবং প্রজ্ঞা আজও সকলের কাছে অনুকরণীয়।
এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা বলেন ভারতের অখণ্ডতা রক্ষায় ‘ভারত কেশরী’ ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আত্মবলিদানের গাঁথা আজও প্রতিটি রাষ্ট্রবাদী নাগরিকের জন্য প্রেরণার স্রোত। নেহেরু -লিয়াকত চুক্তির বিরোধিতা করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেওয়া ডঃ মুখার্জি কখনোই অন্যায়ের সাথে আপোষ করেন নি। তাছাড়া স্বাধীনোত্তর ভারতে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এক বলিষ্ঠ মুখ ছিলো ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি। অতুলনীয় ক্ষমতা,আভিজাত্য ও মেধা থাকা স্বত্বেও আত্মকেন্দ্রীক জীবনে আটকে না থেকে রাষ্ট্রনির্মানের দিশায় আমৃত্যু লড়ে গেছেন তিনি বলে জানান।
এছাড়া এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যসভার সংসদ রাজিব ভট্টাচার্য বিরোধীদের এক হাত নিয়ে বলেন মানুষকে মারো, মানুষকে নিগ্রহ করো, মানুষকে গরিব বানাও, মানুষকে যতই মূর্খ বানাতে পারো ততই সংগঠন শক্তিশালী হবে এটাই তাদের মানসিকতা, এবং আমাদের ক্ষেত্রে মানুষের উন্নয়ন করা, মানুষকে জাগ্রত করা, শিক্ষার হার আরো বৃদ্ধি করা সম্ভব হলে যেমন সংগঠন মজবুত হবে, তেমনিভাবে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাষ্ট্র নির্মাণ সম্ভব বলে জানান। এছাড়া তিনি রাজ্যের শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে ব্যাপক সাফল্য অর্জনের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান।
এদিনের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দলের কার্যকর্তাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়।