Monday, January 12, 2026
বাড়িখবররাজ্যহৃদয় আত্মার মিলন ঘটায় যোগা - মুখ্যমন্ত্রী

হৃদয় আত্মার মিলন ঘটায় যোগা – মুখ্যমন্ত্রী

২১জুন বিশ্ব যোগা দিবস। গোটা বিশ্বের সাথে ত্রিপুরাতেও পালিত হল আন্তর্জাতিক যোগা দিবস। রাজ্য সরকারের যুব বিষয়ক ক্রীড়া দফতরের উদ্যোগে আগরতলায় মূল অনুষ্ঠানটি হয় হাঁপানিয়া আন্তর্জাতিক মেলা প্রাঙ্গণের হলঘরে। অন্যান্য সবার সাথে এদিন যোগব্যায়ামে অংশগ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা। মুখ্যমন্ত্রীর সাথে ছিলেন ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়, উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল, বিধায়িকা মিনা রানী সরকার, জিমন্যাস্ট দীপা কর্মকার সহ আরো অনেকে। এদিন মিলিতভাবে যোগ ব্যায়ামে অংশগ্রহণ করার আগে, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,আজকের দিনে মোবাইল ল্যাপটপ নিয়ে যুবসম্প্রদায় ব্যস্ত। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে যোগা অত্যন্ত জরুরি বিষয়। কারণ যোগা ভারতের পরম্পরা এবং ভারতের ঐতিহ্য। শুধু যোগা করাই নয়, যোগার মাধ্যমে নিজেকে জানার চেষ্টা করতে হবে, নিজেকে আবিস্কার করতে হবে। যোগার মাধ্যমেই আসে মনের স্থিরতা। যোগা মস্তিষ্কের উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। মনের সাথে শরীরের আধ্যাত্মিক যোগাযোগের মাধ্যম এই যোগা। এই বিষয়গুলি আমাদের অনেকেই জানেন। কিন্তু কাজের ব্যস্ততার মধ্যে এই বিষয়গুলি আমরা চর্চা করি না, এবং নিজেদের জীবনেও প্রয়োগ করি না। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখে আমাদের শেখা উচিত। তিনি যোগাকে নিজের জীবনের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে নিয়েছেন। ইচ্ছে করলে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে এই কাজটাও আমরা করতে পারি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যোগার মাধ্যমে শরীরের অনেক কঠিন রোগকে বাগে রাখা যায়। নিজের মনের শান্তি খোঁজা সম্ভব হয়। সব বুঝেও যোগাকে আমরা এড়িয়ে যাই। প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর সেই আপ্তবাক্যটি মনে রাখলে সবাইকেই যোগাকে প্রাধান্য দিতে হবে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর সাহা। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেটা ভাবেন, পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর ভাবনাটাকেই মানুষ মান্যতা দেয়। প্রধানমন্ত্রীর কারণে, এই যোগার মাধ্যমে সারা পৃথিবীর মানুষ জানতে পারছেন ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য। এরজন্য ভারতবাসী হিসেবে প্রত্যেকের গর্ববোধ করা উচিত। কারণ একজন সত্যিকারের ব্যক্তিত্ব ভারতকে উন্নতির শিখরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এর আগে এমনটা হয় নি । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই দেশের একতাকে মজবুত করতে পেরেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করলে ভালো বৈ ক্ষতি হয় না। গোটা দেশের মানুষকে তিনি একসূত্রে বাঁধতে সক্ষম হয়েছেন। তাই হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচির ডাক যেদিন দিলেন প্রধানমন্ত্রী, তখন ওই ডাকে দেশের মানুষের মধ্যে এক নতুন উন্মাদনা তৈরি হয়। এর আগেও জাতীয় পতাকা উত্তোলিত করা হয়েছে। কিন্তু পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে গোটা দেশকে এক আত্মীয়ের বন্ধনে আবদ্ধ করা যায় সেটা দেখালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

8 + ten =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য