আগামী ২৯ শে জুন ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র উৎসব কুরবানী ঈদ। গোটা বিশ্বের সাথে সেদিন রাজ্যেও সংখ্যালঘু মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা ত্যাগের এই উৎসবে শামিল হবেন। যার জন্য এখন থেকেই চলছে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের প্রস্তুতি। কুরবানী ঈদের অন্যতম বিষয় হলো পশু জবাই। তাই সরকারি নিয়ম মেনে পশু জবাই করার জন্য রাজ্যের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নাগরিকদের কাছে এবার আহ্বান জানালেন রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহ আলম। সোমবার ওয়াকফ বোর্ডের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে ভারত সরকারের পশু হত্যার নিয়মাবলী তুলে ধরেন। কেন্দ্রীয় সরকারের আওতাধীন পশু কল্যাণ বোর্ড পশুদের কল্যাণে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নির্দেশিকা জারি করে থাকে। সেই নির্দেশিকা মেনেই পশুকে হত্যা করতে হবে। সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানিয়ে ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহ আলম জানান, পশু হত্যার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, কোন পশু জবাই করার আগে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে সেই পশু কোন ধরনের কষ্ট না পায়। গর্ভবতী পশু হত্যা করা যাবে না। যেসব পশুর তিন মাস বাচ্চা রয়েছে তাদেরকেও কোরবানি দেওয়া যাবে না। এছাড়া যেখানে খুশি সেখানে পশু জবাই করা যাবে না। জবাইয়ের পর ব্যবহৃত সামগ্রী সব একত্রিত করে মাটিতে পুতে দিতে হবে। ভারত সরকারের পশু কল্যাণ বোর্ডের এই নিয়মাবলী মেনেই যেন রাজ্যের সংখ্যালঘুরা কোরবানি ঈদ প্রতিপালন করেন, তার আহ্বান জানান তিনি। একই সাথে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে যাতে ঈদ উৎসব পালন করা হয়, সে বিষয়েও প্রত্যেকের কাছে আবেদন রাখেন তিনি।



