আগরতলায় রবিবার ব্যাপক বৃষ্টিপাতে বিভিন্ন সড়ক থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় যেমন জল জমে যায় তেমনি অনেক বাড়ি ঘরও বৃষ্টির জলে প্লাবিত হবার উপক্রম। পাশাপাশি অনেক এলাকায় বৃষ্টির জল জমে যায়। কাটা খাল সহ নদীর জল স্ফীত হয়ে উঠে। আগরতলার উজান অভয়নগর নেতাজি ক্লাবের পাশের নদীতে তলিয়ে গেল সাতটি গাড়ি! অতি বৃষ্টির কারণে জলের স্রোতে এই গাড়িগুলি অনেকটা দূরে ভেসে যায়। এই ধরনের চিত্র দেখে অনেকেই অবাক হয়ে গেছে। রবিবার রাজ্যের অন্যান্য জায়গার পাশাপাশি আগরতলায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়। একনাগাড়ে প্রায় দুই ঘণ্টার ও অধিক সময় ধরে মুসলধারে বজ্রপাত সহ বৃষ্টি হয়। এতে আগরতলার বিভিন্ন সড়ক থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় যেমন জল জমে যায় তেমনি অনেক বাড়ি ঘরও বৃষ্টির জলে প্লাবিত হবার উপক্রম। পাশাপাশি অনেক এলাকায় বৃষ্টির জল জমে যায়। কাটা খাল সহ নদীর জল স্ফীত হয়ে উঠে। হঠাৎ যেন মেঘ ভাঙা বৃষ্টির অবস্থা। যদিও জমা জল খুব বেশি সময় স্থায়ী হয় নি। বিশেষ করে বিভিন্ন জায়গায় জল বের করার জন্য পাম্পিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। এই অবস্থায় পাম্পগুলিও সচল থাকায় খুব বেশি সময় জমা জল স্থায়ী হয় নি। তবে অনেক জায়গায় বৃষ্টির ফলে বেশ কিছু চিত্র সামনে আসে। এর মধ্যে দেখ যায় যে আগরতলার উজান অভয়নগর নেতাজি ক্লাবের পাশের নদীতে তলিয়ে গেল সাতটি গাড়ি!অতি বৃষ্টির কারণে জলের স্রোতে এই গাড়িগুলি অনেকটা দূরে ভেসে যায়। এই ধরনের চিত্র অন্তত আগরতলায় স্মরণাতীত কালে দেখা যায় নি বলেই স্থানীয় এলাকাবাসীদের অভিমত। অনেক সময় অন্যান্য পাহাড়ি জায়গায় সাধারণত খরস্রোতা নদীতে বান এলে এই ধরনের চিত্র দেখা যায়। কিন্তু আগরতলায় এই ধরনের চিত্র দেখে অনেকেই অবাক হয়ে গেছে। এই ভাবে বৃষ্টির জলের স্রোতে নদীতে গারিগুলি ভাসিয়ে এতটা দূরে নিয়ে যাবে এর থেকে সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে যে এই অল্প সময়ের মধ্যে বৃষ্টির ব্যাপকতা কেমন ছিল। সহজেই অনুমেয় মুসলধারে বৃষ্টির পরিমাণ যতটা না ছিল এর চেয়ে এই মুসলধারে বৃষ্টির ফলে সাড়া বছর প্রায় শুকিয়ে থাকা নদী কিংবা কাটা খালে জল স্রোতের তিব্রতা ছিল অনেকটা বেশি। যা এই গাড়িগুলি ভাসিয়ে নিয়ে যাবার মধ্য দিয়েই বোঝা যায়। তবে জল স্রোতে গাড়ি গুলি খুব বেশি দূরে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে পারে নি। কোন কিছুর মধ্যে বাঁধা পাওয়ায় এগুলি খুব বেশি একটা দূরে যায় নি বলে অনেকেই মনে করছেন। আর যাই হউক বৃষ্টির পরিমাণও কিন্তু কম ছিল না। যা স্বস্তির চেয়ে অনেককেই যথেষ্ট চিন্তায়ও রেখেছে বলে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন। তবে এটা ঠিক এর পূর্বাভাষ আগে থেকেই আবহাওয়া দফতর থেকে সময় সময় দেওয়া হলেও রাজ্যে বর্ষা এবছর বেশ ভালই হবে বলেও পূর্বাভাষ দেওয়া হয়েছে।



