বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১লা নভেম্বর….শনিবার বিকেল চার ঘটিকায় খোয়াই সিনথেটিক ফুটবল মাঠে উদ্বোধন হলো তিন দিনব্যাপী রাজ্যভিত্তিক অনূর্ধ্ব ১৭ ছেলেদের মধ্যে ফুটবল প্রতিযোগিতার আসর। তাতে রাজ্যের আটটি জেলা থেকে ফুটবল প্লেয়াররা ঐদিন মাঠে জড়ো হয়। এই ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী মঞ্চে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি অপর্ণা সিংহ রায়, জেলাশাসক রজত পন্থ, খোয়াই পুর পরিষদের চেয়ারম্যান দেবাশীষ নাথ শর্মা, মন্ডল সভাপতি অনুকূল দাস, সমাজসেবক বিনয় দেববর্মা, খোয়াই ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি সমীর কুমার দাস সহ অন্যান্যরা। উদ্বোধক শ্রীমতি অপর্ণা সিংহ রায় একটি গাছে জল সিঞ্চন করে রাজ্যভিত্তিক অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবল খেলার উদ্বোধন করেন। এরপর উদ্বোধক সহ রাজ্যের আটটি জেলা থেকে আগত প্রতিটি দলের টিম ম্যানেজাররা তাদের পতাকা উত্তোলন করেন। এবং একজন প্লেয়ার শপথ বাক্য পাঠ করেন।এই বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে উদ্বোধক শ্রীমতি অপর্ণা সিংহ রায় বলেন এই খেলার আসরকে খোয়াইতে নিয়ে আসার জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। এর পেছনে কারণ ছিল তাদেরকে দুটি খেলার আসর করার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়। শেষে সেই প্রস্তাব মেনে ফুটবল এবং খো খো খেলার আয়োজন করে খোয়াই ক্রিড়া দপ্তর পাশাপাশি বলা হয় খোয়াইতে যখন একটি সিন্থেটিক ফুটবল মাঠ রয়েছে সেই অনুযায়ী রাজ্যভিত্তিক অনূর্ধ্ব ১৭ ছেলেদের মধ্যে ফুটবল খেলার আসরটি খোয়াইতে করার জন্য দাবি রাখলে তারা সেই দাবি মেনে নেয় রাজ্য ক্রীড়া দপ্তর।শুধু ফুটবলের আসরটি নয় এর কিছুদিন আগে রাজ্য ভিত্তিক খো খো খেলার আসরটিও খোয়াইতে সুষম্পন্ন হয়েছে । তিনি এও বলেন এই আসর থেকে যে দলটি চ্যাম্পিয়ন হবে সে দলটিকে জাতীয় স্তরে প্রতিযোগিতার জন্য পাঠানো হবে। তাই বলে একদল জিতবে অন্ন দল জিতবে না সেই ভাবনা চিন্তা যাতে তাদের মাথায় না আসে। তারা চেষ্টা করবে নিজেদের শ্রেষ্ঠটা খেলার জন্য উপহার দিতে। তাতে দেখা যাবে যারা এই কাজটি যারা করেছে তারা সেই জেলার জন্য একজন ভালো খেলোয়াড় হিসেবে সুনাম অর্জন করবে। এই সব খেলাকে তুলে ধরার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার ব্যাপকভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো যেসব ছেলে মেয়েরা খেলার মাঠ ছেড়ে বাড়ি ঘরে বসে আছে এবং নেশার কবলে পড়ে নিজেদের অস্তিত্বকে বিপন্ন করে দিচ্ছে পাশাপাশি যুব সমাজ ধ্বংস হচ্ছে ।এই দিক দিয়ে যুব সমাজকে রক্ষা করতে এবং সমস্ত ছেলে মেয়েরা যাতে সুস্থ জীবন যাপন করতে পারে শরীরচর্চার মাধ্যমে এর জন্যই সবাইকে মাঠ মুখী হতে হবে। তাহলে প্রত্যেকটি ছেলে মেয়ে যেমন একটি ভালো প্লেয়ার হয়ে উঠতে পারবে পাশাপাশি নেশার কোরাল গ্রাস থেকে দূরে থাকবে এবং সমাজে একজন প্রতিষ্ঠিত প্লেয়ার এবং ব্যক্তি হয়ে অদূর ভবিষ্যতে সুনাম অর্জন করতে পারবে। অনুষ্ঠান শেষে মঞ্চে উপস্থিত অতিথিরা সমস্ত সাংবাদিকদের হাতে গাছের টব দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন।



