খবরে প্রকাশ, বিগত কিছুদিন পূর্বে করইলং পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কের উপর নো-পার্কিং জোন সম্বলিত একটি সাইনবোর্ড সাঁটিয়ে ছিল তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ইউনিটের পক্ষ থেকে।অথচ করইলং চৌমুহনীর আশপাশ এলাকায় কয়েকটি বিদ্যালয় ও রয়েছে। নিত্যদিন যানজটের কারণে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা ও যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। শনিবার দিনেও এর ব্যাতিক্রম ঘটেনি,এদিন করইলং চৌমুহনী এলাকায় গিয়ে প্রত্যক্ষ করা গেল জাতীয় সড়কের উপর যাত্রীবাহী বাস থেকে শুরু করে স্কুল বাস আটকে পড়ে যান জটের ফলে। রাস্তার পাশে নো পার্কিং জোন সাইনবোর্ড থাকলেও গোটা করইলং চৌমুনী এলাকায় নূন্যতম একজন ট্রাফিক কর্মীকেও খুঁজে পাওয়া গেল না। অথচ পথচারী থেকে শুরু করে এলাকার মানুষজন দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিল করইলং চৌমুহনী এলাকায় একটি ট্রাফিক পোস্ট বসিয়ে ট্রাফিক কর্মী দ্বারা যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা হোক। এমন দাবী থাকলেও খোয়াই জেলা ট্রাফিক কর্তৃপক্ষের চরম খামখেয়ালিপনায় করইলং ট্রাফিক ব্যাবস্থা একেবারে তলানিতে। ফলে যেকোনো সময় বড়োসড়ো পথ দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে করইলং চৌমুহনী জাতীয় সড়কে। এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এলাকার স্থানীয় মানুষজন।অন্যদিকে তেলিয়ামুড়া ট্রাফিক ইউনিটের একটি সূত্রে জানা যায়, তেলিয়ামুড়ায় ট্রাফিক কর্মী সল্পতার কারনে এলাকার ট্রাফিক ব্যাবস্থার মুখ থুবড়ে পড়েছে।।



