বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২রা নভেম্বর….. রাজ্য জুড়ে পুর পরিষদের নির্বাচনের দিনখন ঠিক হতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনের ময়দানে নেমে পড়ে নিজ নিজ দলের শক্তি প্রদর্শনের জন্য। অন্যদিকে সোমবার সকাল থেকে খোয়াই সহরের পরিবেশ পরিস্থিতি ও বাতাস বাড়ি হয়ে উঠতে থাকে।যখন মানতে পারে শাসক দল সোমবার পুর পরিষদের নির্বাচনের জন্য সি পি আই এম দলের মনোনীত প্রার্থীরা তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেবেন তখন থেকেই খোয়াই সহরের পরিবেশ পরিস্থিতি গরম হয়ে উঠে। অন্যদিকে বিজেপি দলের দুষ্কৃতিকারীরা সি পি আই এম দলের মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা দিতে শুরু করে বলে অভিযোগের আঙুল তুললেন বিজেপি দলের দিকে বিধায়ক নির্মল বিশ্বাস।আর অন্য দিকে খোয়াই মহকুমা পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে উঠল ব্যর্থতার অভিযোগ! খোয়াইয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে না পারার দাবি বামফ্রন্ট দলের বিধায়ক নির্মল বিশ্বাসের। খোয়াই মহকুমায় পুর পরিষদের নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র দাখিলকে কেন্দ্র করে তৈরি হলো বিতর্ক ও খোয়াই শহর জুরে উত্তেজনা। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে না পারার অভিযোগ তুললেন খোয়াই বামফ্রন্ট দলের বিধায়ক নির্মল বিশ্বাসের।যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য জানা যায়নি।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আগামী ২৭ নভেম্বর পুর নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ খোয়াই পুর পরিষদের বামফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেন। সেই অনুযায়ী দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে আজ সারিবদ্ধভাবে খোয়াই সহরে মিছিল করে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন তাঁরা।কিন্তু অভিযোগ, সেই সময় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে মূল রাস্তা ব্যবহার না করে বিকল্প রাস্তা দিয়ে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পুলিশের এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। বামফ্রন্টের অভিযোগ, পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতার কারণেই তাঁদের মনোনীত প্রার্থীরা আজ মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারেননি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খোয়াই মহকুমার রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠছে, পুর নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র দাখিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় কেন এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হলো? পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়ার কারণই বা কী ছিল এটাই এখন প্রশ্ন উঠছে।



