Sunday, October 11, 2026
বাড়িখবররাজ্যমোবাইলের ভার্চুয়াল জগৎ থেকে মাঠে ফেরানোর উদ্যোগ, সরোজ সংঘের খেলার মাঠ পুনরুদ্ধার

মোবাইলের ভার্চুয়াল জগৎ থেকে মাঠে ফেরানোর উদ্যোগ, সরোজ সংঘের খেলার মাঠ পুনরুদ্ধার

মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের প্রতি শিশু-কিশোরদের ক্রমবর্ধমান আকর্ষণের মাঝে নতুন প্রজন্মকে মাঠমুখী করতে উদ্যোগী হলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা বিজেপির ত্রিপুরা প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য। তাঁর উদ্যোগে সাংসদ তহবিল থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে সরোজ সংঘের নিজস্ব খেলার মাঠ। এই উদ্যোগের ফলে এলাকার শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশু-কিশোরদের দৈনন্দিন জীবনেও মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের প্রভাব ক্রমশ বেড়ে চলেছে। অনলাইন গেম, সামাজিক মাধ্যম এবং ভার্চুয়াল জগতের প্রতি আকর্ষণের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই খোলা মাঠে খেলাধুলার অভ্যাস কমে আসছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন প্রজন্মকে শারীরিক কসরত ও খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই সরোজ সংঘের খেলার মাঠ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সাংসদ তহবিল থেকে বরাদ্দ করা প্রায় ১৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে মাঠটি পুনরুদ্ধার হওয়ায় এলাকার ক্রীড়া পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি এলাকার অন্যান্য বাসিন্দারাও খেলাধুলার পরিবেশ ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য সরোজ সংঘের খেলার মাঠের ফলক উন্মোচন করেন। তাঁর এই উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের ভার্চুয়াল জগৎ থেকে বেরিয়ে বাস্তব জীবনের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করার বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। শিশু-কিশোরদের শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার পাশাপাশি মানসিক বিকাশ, শৃঙ্খলাবোধ এবং দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাঠে নিয়মিত খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা, সহনশীলতা এবং প্রতিযোগিতার মনোভাবও গড়ে ওঠে। তাই একটি খেলার মাঠ শুধু বিনোদনের জায়গা নয়, নতুন প্রজন্মের সার্বিক বিকাশের ক্ষেত্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। সরোজ সংঘের খেলার মাঠ পুনরুদ্ধারের ফলে এলাকার ক্রীড়াচর্চা আরও গতিশীল হবে এবং শিশু-কিশোরদের মাঠমুখী করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা নেবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের পাশাপাশি শারীরিক কর্মকাণ্ড ও খেলাধুলার অভ্যাস গড়ে তোলার এই উদ্যোগ স্থানীয় ক্রীড়া পরিবেশকে আরও সক্রিয় করে তুলতে সহায়ক হবে।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

seventeen − 3 =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য