Thursday, August 27, 2026
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদবদলির আদেশ পাবার ১৫ মাস পরেও বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন খোয়াই তথ্য...

বদলির আদেশ পাবার ১৫ মাস পরেও বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন খোয়াই তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের এক এর ডি সি করনিক ।

বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২৭ শে আগষ্ট…..
সরকারিভাবে বদলির আদেশ জারি হওয়ার ১৫ মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও খোয়াই তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের এক এল ডি সির করনিক এখনও একই কার্যালয়ে কর্মরত রয়েছেন এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।খোয়াই তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরে কর্মরত এল ডি সির করনিক বিমল কান্তি দত্তের নামে গত ১৪ মে ২০২৫ তারিখে বদলির জন্য রিলিজ অর্ডার জারি হয় বলে জানা গেছে। অন্যদিকে অভিযোগ, বদলির আদেশ হাতে পাওয়ার পরও এক বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও তিনি এখনও খোয়াই তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরেই বহাল তবিয়তে রয়েছেন।বিভিন্ন মহলের প্রশ্ন, রাজ্যের উচ্চ কার্যালয় থেকে যদি উনার বদলির আদেশ জারি হয়ে থাকে, তাহলে সেই আদেশ এখন পর্যন্ত কার্যকর হয়নি কেন? সরকারি বদলির নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে দপ্তরের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন।অভিযোগকারীদের আরও দাবি, এল ডি সি পদে কর্মরত হলেও দত্তবাবুর কর্মপরিধি ও দায়িত্ব পালনের ধরন নিয়ে দপ্তরের অভ্যন্তরে নানা আলোচনা রয়েছে। দপ্তরের বিভিন্ন ক্যালেন্ডারভুক্ত অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির আর্থিক লেনদেন-সংক্রান্ত দায়িত্বও উনার হাতে ন্যস্ত থাকার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। যদিও এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তর বা কর্মীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও সামনে আসেনি। অন্যদিকে খোয়াই তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক দিলীপ দেববর্মার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রাজ্যের উচ্চ দপ্তর থেকে বদলির আদেশ জারি হয়ে থাকলে তা কার্যকর করার ক্ষেত্রে কী ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে, নাকি অন্য কোনো কারণে আদেশটি বাস্তবায়িত হচ্ছে না,তা স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।আরও তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, দত্তবাবুকে আগরতলায় বদলি করে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে অন্য একজন এল ডি সি করনিক কে খোয়াই তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরে পাঠানো হলেও, তিনিও এখনও খোয়াই কার্যালয়ে যোগদান করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে ।ফলে গোটা বদলির প্রক্রিয়াটিই এখন প্রশ্নের মুখে পড়েছে।সরকারি বদলির আদেশ কার্যকর না হওয়া এবং পরবর্তী পদায়ন সত্ত্বেও নতুন কর্মীর যোগদান না করার বিষয়টি নিয়ে স্বচ্ছতা চেয়েছেন বিভিন্ন মহলের প্রতিনিধিরা। তাঁদের বক্তব্য, সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে যদি কোনো প্রশাসনিক বা দাপ্তরিক জটিলতা থেকে থাকে, তাহলে দপ্তরের পক্ষ থেকে তার কারণ স্পষ্ট করা উচিত।এখন দেখার বিষয়, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তর কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং বদলির আদেশ বাস্তবায়ন ও নতুন কর্মীর যোগদানের ক্ষেত্রে প্রশাসনের পরবর্তীতে কি ভূমিকা গ্রহণ করে সেটাই দেখার বিষয়।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

four × five =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য