বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বললেন বিদ্যুৎমন্ত্রী রতনলাল নাথ সময়ের থেকে নয়, জিশ্নু দেববর্মা যখন বিদ্যুৎমন্ত্রী ছিলেন তখন থেকে ৫টা বিদ্যুৎ ডিভিশন প্রাইভেট কোম্পানির কাছে তুলে দেওয়ার সময় থেকেই পরিস্থিতি খারাপ হয়েছিল। সেই কোম্পানিগুলো সরকারের সহমতেই দেরশো কোটি সহ পালিয়ে গেছে। শিক্ষাকে বারোটা বাজিয়েছেন। বিদ্যুৎ, কৃষি এখন রতনলাল নাথ আরও বারোটা বাজাচ্ছেন। পাম অয়েল চাষ করাচ্ছেন। বিদ্যুৎ পরিষেবা আদানি ঠিক করবে।কোন কোম্পানির মিটার লাগবে তা ঠিক করবেন আদানি। শাসক দলের মধ্যেও বিদ্রোহ চরমে। স্মার্ট মিটার তুলে দিন। বেসরকারি কোম্পানির হাতে নয়, নিগম দায়িত্ব নিক। সিজেপির আন্দোলনে ধর্মেন্দ্র প্রধানকেও রক্ষা করতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। রতনলাল নাথ তো খড়কুটো! বিদ্যুৎ’র মাশুল প্রত্যাহার, রাজ্য সরকারকে খাটতি মেটাতে দায়িত্ব নিক, ভরতুকি দিক সরকার, সরকারের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য বামফ্রন্ট সরকারের উল্লেখ করে। কিন্তু বিদ্যুৎ পরিষেবায় ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা বামফ্রন্ট সরকার রেখেছিল। অতিরিক্ত বোঝা কমাতে রাজ্য সরকার ভরতুকি দিক,জোরালো দাবি করেন বিরোধী দলনেতা। বাড়তি বোঝা সরকার বহন করুক, সরকার ও বিদ্যুৎ নিগমের উদ্দেশে আবেদন করেছেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী।
২) SIR নিয়ে তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ’র আমলে বৈধ ভোটার বাদ দেওয়া হয়েছে বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে। বৈধ ভোটার বাদ দেওয়া যাবে না। ‘২৮র বিধানসভা নির্বাচনে ডাবল ইঞ্জিনের সরকার ডুবন্ত জাহাজকে রক্ষা করতে যদি বিহার ও পশ্চিমবঙ্গের মতো পরিস্থিতি হলে মাঠে নামবে সিপিআইএম।
৩) আন্তর্জাতিক আদিবাসী জনগোষ্ঠী দিবস পালন নিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন এ দিবস পালনে বিজেপির নৈতিকতা নেই। আদিবাসীদের পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন তিনি। এডিসি সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।সরাসরি অর্থ দেওয়া, অধিক ক্ষমতা, ১২৫তম সংবিধান সংশোধনী বিল আটকে রাখা হয়েছিল বিজেপির আমলে।
দিল্লিতে দর কষাকষি
ভিসি নির্বাচন নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক না, দর কষাকষি চলছে। এগুলো বরাবরই হয়েছিল, আবারও হবে। মথার নিচুতলায় বিদ্রোহ হচ্ছে। জনগণ ধরে ফেলছেন। ২০২৩ থেকেই মথা বিজেপির সম্পর্ক ছিল, জনগণকে না ঠকিয়ে প্রকাশ্যে হোক জনতা।মথা একা লড়াইয়ের আভাস সহ নানা বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন।রাতে গোপনে মিটিং, দিল্লিতে নাটক চলছে।



