আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে ২০২৭ সালের আদমশুমারিকে সামনে রেখে একদিনের গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যস্তরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার ডিরেক্টর অব সেনসাস অপারেশন (ডিসিও) রতন বিশ্বাস, ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিস অফ দ্য রেজিস্ট্রার জেনারেল অ্যান্ড সেনসাস কমিশনার-এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেল সুভাষ দাসগুপ্তসহ একাধিক উচ্চপদস্থ আধিকারিক।
কর্মশালার মূল লক্ষ্য ছিল রাজ্যে জনগণনার প্রথম পর্যায় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনা ও কার্যকর কৌশল নির্ধারণ করা। সভায় রাজ্যের বিভিন্ন জেলার ডিএম, এডিএম, এসডিএম এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা অংশগ্রহণ করে নিজেদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, এবারের জনগণনা সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা হবে, যা প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত ও স্বচ্ছ করে তুলবে। প্রায় ১১ হাজার কর্মী এই বিশাল কর্মযজ্ঞে যুক্ত থাকবেন। প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে আগামী ১৭ জুলাই থেকে এবং চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত। এরপর দ্বিতীয় পর্যায় ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।
কর্মশালায় বাড়ির তালিকাভুক্তি ও হাউজিং সেনসাস, প্রশ্নপত্রের গঠন, তথ্য সংগ্রহের আধুনিক পদ্ধতি এবং ডিজিটাল টুলস ব্যবহারের উপর বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ, অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং স্ব-গণনার মতো বিষয়েও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
এছাড়াও জনগণনা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশাসনিক দিক যেমন কর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ, তহবিল বণ্টন, ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট এবং বিভিন্ন স্তরের দায়িত্ব বণ্টন নিয়েও পর্যালোচনা করা হয়। মাঠ পর্যায়ে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে এবারের জনগণনাকে আরও নির্ভুল, দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এগোনো হচ্ছে।



