আজ বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে World Book and Copyright Day। বই পড়া, প্রকাশনা শিল্প এবং মেধাস্বত্ব বা কপিরাইট সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই বিশেষ দিনটি উদযাপিত হয়। স্পেনের লেখক Vicente Clavel Andrés ১৯২৩ সালে প্রথম এই উদ্যোগ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে UNESCO দিনটিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেয়। এই দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে বিশ্বসাহিত্যের দুই মহান লেখক William Shakespeare এবং Miguel de Cervantes-এর স্মরণে। তাঁদের সাহিত্যকর্ম আজও পাঠকদের অনুপ্রাণিত করে এবং বইয়ের শক্তিকে নতুনভাবে উপলব্ধি করায়।
এদিন ভাবনস ত্রিপুরা বিদ্যামন্দিরেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিজেরা বই পড়ে এবং অন্যদের বই পড়ার জন্য উৎসাহিত করতে বিভিন্ন বার্তা প্রদান করে।বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, যুবসমাজ ক্রমশ সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে, যার ফলে পাঠ্যবইয়ের বাইরে অন্যান্য বই পড়ার প্রবণতা কমে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিশ্ব বই ও কপিরাইট দিবসের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ছাত্রছাত্রীরা মনে করেন, বইয়ের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। জ্ঞান, চিন্তাভাবনা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির অন্যতম মাধ্যম হলো বই। সেই লক্ষ্যেই আজকের এই উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বইমুখী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



