ইজরায়েলের হাইফা শহরে ক্লাস্টার মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে যুদ্ধের কবলে কাঁপছে আবু ধাবি ও ইউএই। মধ্যপ্রাচ্যে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিভিন্ন পদক্ষেপে ইরান পাল্টা যুদ্ধের চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরান ইতিমধ্যেই ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস’ নামে এক বিধ্বংসী সামরিক অভিযান শুরু করেছে। তেলাভিভ এবং হাইফা শহরের একাধিক স্থানে এই মুহূর্তে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে। খবর অনুযায়ী, হাইফাতে মিসাইল হামলার কারণে বেশ কিছু মানুষের প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। মানুষ প্রাণ বাঁচাতে বাঙ্কারে আশ্রয় নিচ্ছেন।
ইরান এই অভিযানের মাধ্যমে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিচ্ছে। ইরানের পক্ষ থেকে ৬টি শর্ত আরোপ করা হয়েছে এবং জানানো হয়েছে যে তারা প্রতিশোধ না নেওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ থামাবে না। এই যুদ্ধ এখন আর কেবল আমেরিকা, ইজরায়েল বা ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। রাশিয়া ও চীন এই যুদ্ধক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে নামতে শুরু করেছে। রাশিয়া ও চীনের রণতরীগুলো ইতিমধ্যেই মহড়াও শুরু করেছে। অন্যদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই পরিস্থিতিতে এক বড় চাল খেলেছেন। দীর্ঘ সাত বছর পর ইরানের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য পুনরায় শুরু হতে চলেছে। এর ফলে ভারত ইরান থেকে সস্তায় অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস আমদানি করবে, যা ভারতের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে স্বস্তি এনে দিতে পারে।
যুদ্ধ এখন মধ্যপ্রাচ্য ছাড়িয়ে গালফ রিজিয়ন বা উপসাগরীয় অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। হরমোজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ব বাজারে তেলের দামে চরম অস্থিতিশীলতা দেখা দিচ্ছে। মিসাইল, ড্রোন আর সাইবার যুদ্ধের এই সংমিশ্রণ পুরো বিশ্বকে এক অনিশ্চিত অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই যুদ্ধের শেষ কোথায়, তা এখন সময়ের অপেক্ষা।
নিউজ ডেস্ক ৰিপৰ্ট NE NEWS TV বাংলা।



