শ্রীরাম কর্তৃক শরৎকালে দেবী -র অকাল বোধন শুরু হওয়ার আগে বাসন্তী পূজোই ছিল বাঙালির আদি দুর্গাপূজা। বসন্তকালে অনুষ্ঠিত হয় বলেই এই পূজার নাম বাসন্তী পূজা। চৈত্র নবরাত্রির শেষ চার দিন ধরে এই পূজা পালিত হয়।
বর্তমানে শুধু বাড়িঘরেই নয়, অনেক ক্লাবেও দেবী বাসন্তীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল মহাষষ্ঠী—তাই মূর্তি পাড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন এলাকায় চলছে চরম ব্যস্ততা। যদিও গত দুদিনের বৃষ্টিতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে, তবুও জোরকদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন মৃৎশিল্পীরা।
তাদের কথায়, চাহিদা থাকলেও সেই তুলনায় দাম মিলছে না। কারণ কাঁচামালের দাম অত্যধিক বেড়ে গেছে, যা তাদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৬ সালের বাসন্তী পূজার নির্ঘণ্ট মহাষষ্ঠী ২৪ মার্চ (মঙ্গলবার)এ দিন দেবীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।ষষ্ঠী তিথি: ২৩ মার্চ রাত ৯টা ৩৭ মিনিট থেকে ২৪ মার্চ সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিট পর্যন্ত।মহাসপ্তমী – ২৫ মার্চ (বুধবার)নবপত্রিকা স্নান ও সপ্তমীর পূজা অনুষ্ঠিত হবে।সপ্তমী তিথি শেষ: বিকেল ৪টা ৪৯ মিনিটে।মহাষ্টমী ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার)এই দিন সন্ধিপূজা পালিত হবে।সন্ধিপূজার মাহেন্দ্রক্ষণ: দুপুর ২টা ৬ মিনিট থেকে ২টা ৫৪ মিনিট।মহানবমী ২৭ মার্চ (শুক্রবার)নবমী তিথি শেষ: দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে।বিজয়া দশমী ২৮ মার্চ (শনিবার)এ দিন দেবীর বিসর্জন হবে।



