ত্রিপুরা আজ পরিবর্তনশীল। বর্তমানে রাজ্যের ক্লাবগুলিতে সুস্থ সংস্কৃতির পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজ্যের ক্লাবগুলি বিভিন্ন সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করছে। এই উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়। বিগত দিনগুলিতে যা লক্ষ্য করা যেত না। রাজ্যের বর্তমান সরকারও নিরলসভাবে মানুষের উন্নতির স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। আজ আগরতলার সংহতি ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্বেচ্ছা রক্তদান, মরনোত্তর দেহদান ও চক্ষুদান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে যারা আত্মবলিদান করেছেন আজ তাদের স্মরণ করার দিন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন এই দিনটি শুধুমাত্র একদিন উদযাপনের বিষয় নয়। সারা বছরব্যাপী স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতবর্ষ দেশাত্ববোধের ভাবনা নিয়ে এগিয়ে চলেছে। রাজ্যের বর্তমান সরকারও সেই দিশায় কাজ করছে। রাজ্য সরকারের প্রতি মানুষের আস্থা বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সংহতি ক্লাবের এই উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এধরণের সামাজিক কাজে এগিয়ে আসতে অন্যদেরও উৎসাহিত করবে।
অনুষ্ঠানে আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার স্বাগত বক্তব্য রাখেন। তিনি সংহতি ক্লাবের সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি বলেন, সংহতি ক্লাব সারা বছর বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচির আয়োজন করছে। ভবিষ্যতেও এধরণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাঠিয়া বাবা আশ্রমের অধ্যক্ষ সদানন্দ দাস কাঠিয়া বাবাজী। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংহতি ক্লাবের সভাপতি শিশির মজুমদার। আজ এই অনুষ্ঠানে অপারেশন সিন্দুর বিষয়ে একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়। আজ ৬৫ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন। ১২ জন মরনোত্তর চক্ষুদান এবং ৮ জন মরনোত্তর দেহ দানের অঙ্গীকার করেন। এই অনুষ্ঠানে আধার নিবন্ধীকরণ শিবিরেরও আয়োজন করা হয়।