মঙ্গলবার আগরতলার প্রজ্ঞা ভবনে ত্রিপুরা সরকার এবং ডিজিটাল ইন্ডিয়া ভাষিনী ডিভিশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয় এবং রাজ্য-স্তরের কর্মশালার ‘ভাষিনী রাজ্যম’ এর সূচনা করেন তথ্যপ্রযুক্তি, অর্থ, পরিকল্পনা ও সমন্বয় মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। তাছাড়াও এ দিনের এই অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন আইটিসচিব কিরণ গিত্তে, ডিজিটাল ইন্ডিয়ার সিইও অমিতাভ নাগ সহ অন্যান্যরা। প্রসঙ্গত “বহুভাষিক শাসনের জন্য ভাষিনীর সাথে উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য গুলির মধ্যে প্রথম ত্রিপুরা মৌ স্বাক্ষর করল মঙ্গলবার।মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহার সম্মানিত নির্দেশনায় ত্রিপুরা সরকার, ভারত সরকারের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের ডিজিটাল ইন্ডিয়া ভাষিনীবিভাগের (ডিআইবিডি) সাথে একটি মৌ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। , ত্রিপুরার সমৃদ্ধ আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার বাড়ানো এবং নাগরিকদের ডিজিটাল সুবিধার জন্য রাজ্যের প্রচেষ্টায় একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক চিহ্নিত হবে এই মৌ স্বাক্ষরের মাধ্যমে।এই দিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী প্রানজিৎ সিংহ রায় বলেন ২২টি ভারতীয় ভাষায় সকল নাগরিকের জন্য নির্বিঘ্ন যোগাযোগ এবং ইন্টারনেট অ্যাক্সেসিবিলিটি নিশ্চিত করার জন্য ডিজিটাল ইন্ডিয়া প্রোগ্রামের অধীনে ভাষিনী একটি বিপ্লবী উদ্যোগ। ভয়েসকে একটি মাধ্যম হিসেবে নিয়ে, ভাশিনির লক্ষ্য ডিজিটালের পাশাপাশি সাক্ষরতার বিভাজন তৈরি করা।ভাশিনী এফআইআর অনুবাদ করে এবং ভয়েস-ভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি সক্ষম করে সিসিটিএনএস প্ল্যাটফর্মকে সমর্থন করতে পারে। ভাশিনী ত্রিপুরার আঞ্চলিক এবং স্থানীয় ভাষায় ইন্টারনেট অ্যাক্সেস সহজ করে ডিজিটাল বিভাজন কমিয়ে আনবে। উত্তর পূর্বাঞ্চলের প্রথম এবং ভারতবর্ষের ভেতরে অষ্টম রাজ্য হিসেবে ত্রিপুরা এই মৌ সাক্ষর করে।এই উদ্যোগটি ভাষার বাধা দূর করে এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলিতে বহুভাষিক অ্যাক্সেস সক্ষম করে নাগরিকদের ক্ষমতায়ন করবে।