কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার চেষ্টা করছে এই দেশকে কি ভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া যায়। আগরতলা রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবসে সোমবার নিজের বক্তব্যে এ কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা এই দেশ বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবসে যারা দেশের জন্য প্রান বলিদান করেছেন তাদেরকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন যারা ভুক্তভোগী তাদেরও চিন্তা করা উচিৎ। সে দিনের এই ঘটনা গুলো বিভীষিকাময়। কত মা বোনদের ইজ্জৎ হানি, ট্রেন এসেছে কিন্তু এর মধ্যে মৃতদেহের স্তূপ …… এক অদ্ভুত অবস্থা। কোন দিন তা ভাবতে পারা যায় না। আর এ দিনে তো নয়ই।এই অনুষ্ঠানে এদিন উপস্থিত বিভিন্ন বক্তারাও সে দিনের স্মৃতি চারনা করে সেই বিভাজনের দিনগুলির বিভীষিকাময় দিক সামনে তুলে ধরে তাদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সেই বীর সেনানীদের প্রতি। এই অনুষ্ঠানে এদিন মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও অন্যান্য বিশিষ্ট জনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী টিংকু রায়, প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রি জিষ্ণু দেববর্মণ, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, এম বি বি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভি সি প্রফেসর ডঃ সত্যদেও পোদ্দার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ডঃ জগদিশ গন চৌধুরী, তথ্য সংস্কৃতি দফতরের সচিব প্রদীপ চক্রবর্তী প্রমুখ। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরে সে দিনের বিভীষিকাময় দিনগুলির সচিত্র প্রদর্শনীরও উদ্বোধন হয়। মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিরা সেই প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এদিন। এর আগে একে কেন্দ্র করে আগরতলার রাজপথে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এই পদযাত্রায় মুখ্যমন্ত্রীর সাথে এদিন পা মেলান কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, মন্ত্রী টিংকু রায়, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য সহ অন্যন্য বিভিন্ন দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মী সমর্থকরা। এই পদযাত্রা এদিন আগরতলার বিভিন্ন দিক পরিক্রমা করে।



