রাস্তার পাশে যেখানে সেখানে বিভিন্ন স্টল দেখা যায়। সাধারণত সরকারি জমির উপর, রাস্তার পাশে, কভার্ড ড্রেনের পাশে কিংবা এর উপর খাবার কিংবা অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের ফাস্ট ফুডের দোকান খুলে ব্যবসা করতে অনেককেই দেখা যায়। আগরতলা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়ও কম বেশি এ ধরনের চিত্র দেখা যায়। বিশেষ করে আগরতলার বিভিন্ন অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা ব্যস্ততম জায়গায় কিংবা বিভিন্ন মোরের আশে পাশে এই ধরনের চিত্র দেখা যায়। ঠিক তেমনি আগরতলার অন্যতম জনবহুল ও ব্যবসায়িক ব্যস্ততম জায়গা হল নেতাজি চৌমুহনী এলাকা। এই এলাকা শুধু ব্যবসায়িক দিক দিয়েই ব্যস্ততম নয় এই এলাকায় রয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয়ও। সে দিক থেকেও তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বভাবতই নিত্য দিন বিশেষ করে অফিস খোলার দিন এই এলাকায় যান চলাচল থেকে শুরু করে অন্যান্য বিভিন্ন ট্রাফিক গতি বিধি খুবই তেজি হয়ে উঠে। আর রাস্তার পাশে যেখানে সেখানে বিভিন্ন স্টল গড়ে উঠায় ট্র্যাফিক জ্যামেরও অভিযোগ প্রায়ই সামনে আসে বিভিন্ন মহলে। এর উপর রাস্তার দু ধারে অবৈধ ভাবে গড়ে উঠা বিভিন্ন এ ধরনের স্টল গুলিকে পরিষ্কার করে যান জট মুক্ত করতে সম্প্রতি আগরতলা পুর নিগমের পক্ষ থেকে এই স্টল গুলিকে অনেক আগে থেকেই সরে যাবার জন্য বার বার বলা হলেও তারা কিছুতেই সরে যেতে চাইছিল না। জানা যায় শেষে শনিবার নেতাজি চৌমুহনি এলাকায় আগরতলা পৌরনিগম অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকটি দোকান গুঁড়িয়ে দেয়। এ ব্যাপারে জনৈক দোকানি শনিবার সংবাদ মাধ্যমে তা তুলে ধরে। তিনি এবিষয়ে জানিয়ে বলেন তাদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয় নি । পুর নিগমের নির্দেশ মত আগের দিন সব কিছু নিয়ে যেতে পারেন নি। কিন্তু পর দিন অর্থাৎ শনিবার এসে দেখেন সব কিছু পরিষ্কার। তিনি জানান এতে তার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। পুর নিগমের পক্ষ থেকে তাদের বিকল্প জায়গা দিয়ে তবেই উৎখাত করার কথা। কিন্তু এক্ষেত্রে তেমনটা কিছুই হয় নি। বিভিন্ন মহলের অভিমত স্বভাবতই এদিয়েই তাদের সংসার চলত। দীর্ঘ দিন ধরেই তারা তা করে আসছিল। কিন্তু এখন তাদের সেই শেষ সম্বল টুকুও নেই। এই অবস্থায় মহা সমস্যায় পড়েছেন এই ক্ষুদ্র থেকে অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। এই ধরনের ব্যবসায়ীদের জন্য নিগম কোন বিকল্প ব্যবস্থা করে কিনা এরই অপেক্ষায় এখন এই ধরনের উচ্ছেদ হওয়া ব্যবসায়ীরা।



