মাত্র ৬৮ বছর বয়সেই জীবনদিপ নিভে গেল বাম বিধায়ক শামসুল হকের। রাজ্য বিধানসভার সদস্য তথা বক্সনগর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শামসুল হক মঙ্গলবার মধ্যরাতে জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন। তার আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই সর্বত্র নেমে আসে শোকের ছায়া। প্রয়াত বিধায়ক মৃত্যুকালে রেখে গেছেন অগণিত আত্মীয়-স্বজনসহ বহু শুভাকাঙ্ক্ষী। তার মৃত্যুতে দলীয় অনুগামী সহ গোটা বাক্সনগর এলাকায় যেন শোকস্তব্ধ। ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে শাসক দলের প্রার্থীকে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। জানা গেছে আগরতলায় বিধায়ক আবাসে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় জিবি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দেড়টা নাগাদ চিকিৎসকদের যাবতীয় চেষ্টা বিফলের দিকে ঠেলে দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। আর এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই বাম নেতাকর্মী সমর্থকদের মধ্যে শোকের আবহ তৈরি হয়। বুধবার সকালে প্রয়াত বিধায়ক শামসুল হকের মরদেহ জি বি হাসপাতাল থেকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় বিধানসভা ভবনে। সেখানে প্রয়াত বিধায়ককে শেষ শ্রদ্ধা জানান বিধানসভার উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল, মন্ত্রী টিংকু রায়, বিধায়ক কিশোর বর্মন, বিধানসভার সরকার পক্ষের মুখ্য সচেতক কল্যাণী রায়, কংগ্রেস দলের বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন সহ বাম দলের বিধায়করা। বিধায়ক শামসুল হকের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তার আত্মার সদগতি কামনা জানিয়ে পরিবার-পরিজনদের প্রতি সমবেদনা জানান উপাধ্যক্ষ, সরকার পক্ষের মুখ্য সচেতন ও কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন।



