জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ রাজ্যে প্রকাশিত হয় ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত এবছরের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। ঘোষিত ফলাফলে যারা সন্তুষ্ট হতে পারেননি তারা উত্তরপত্র পুনমূল্যায়নের জন্য আবেদন করে। এই সংখ্যাটাও নেহাত কম নয়। মাধ্যমিকে ২০৪৯ জন ছাত্রছাত্রী ৪৭০৭ টি বিষয়ে এবং উচ্চমাধ্যমিকে ১৪২৯ জন ছাত্রছাত্রী ৩০৭৮ টি বিষয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়ন চেয়ে আবেদন করে। অবশেষে এই উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ শেষ করে পর্ষদ ঘোষণা করল তার চূড়ান্ত ফলাফল। এতে দেখা গেল মাধ্যমিকে ৮১১ জন ছাত্রছাত্রী এবং উচ্চমাধ্যমিকে ৬০৪ জন ছাত্রছাত্রীর নাম্বারের পরিবর্তন হয়েছে। এরপরেও যারা সন্তুষ্ট নয়, তারা এবার ২৫০ টাকা ফি জমা দিয়ে নিয়ম অনুযায়ী একজন শিক্ষক কিংবা অভিভাবককে নিয়ে নিজে খাতা পরীক্ষা করতে পারবেন। তার জন্য আগামী ১৮ই জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। এদিকে উত্তরপত্র মূল্যায়নের শেষে নাম্বার বৃদ্ধির ফলে মাধ্যমিকে বছর বাঁচাও পরীক্ষায় আর বসতে হবে না ৫৮ জন ছাত্রছাত্রীর। বৃহস্পতিবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে পর্ষদের সচিব দুলাল দে কে পাশে রেখে একথা জানান সভাপতি ডক্টর ভবতোষ সাহা। তিনি আরো জানান, বছর বাঁচাও পরীক্ষার জন্য এখনও চলছে আবেদনপত্র গ্রহণের কাজ। আগামী দুই থেকে ১১ ই আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা। এছাড়া উত্তরপত্র মূল্যায়নের শেষে যাদের নম্বর বৃদ্ধি পেয়েছে তাদের নতুন মার্কশিট দেওয়া হবে আগামীকাল থেকে। এক্ষেত্রে পুরনো মার্কশিট জমা দিয়েই ছাত্রছাত্রীরা গ্রহণ করবে নতুন মার্কশিট।



