পঞ্চায়েত সেক্রেটারি হিসেবে চাকরি কালীন সময়ে সাসপেন্ড করেছিল দপ্তর। এনিয়ে শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি অবসরে যাবার পরও কোন পেনশন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। উর্ধতন কর্তিপক্ষের নজরে বিষয়টি নিয়েও কোন কাজ হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন সেই অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বপন চন্দ্র দেবরায় । তিনি জানান বিলোনিয়া ঋষমুখ আর ডি ব্লকে পঞ্চায়েত সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করার সময় ২০১২ সালে ১৮ই মে দফতর তাকে সাসপেন্ড করে। রবিবার এ বিষয় নিয়ে আগরতলা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে এই বিষয়ে অবগত করেন তিনি। এদিন তিনি জানান সেই বিষয় নিয়ে দপ্তরের একটি এনকোয়ারি শুরু হয়েছিল। পাশাপাশি বিলোনিয়া আদালতে একটি মামলাও হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। সেই মামলার রায় এসেছে ২০২২ সালের মে মাসে। সে মামলাতে সুষ্ঠু বিচার পেয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পঞ্চায়েত সেক্রেটারি হিসেবে তিনি ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট চাকরি জীবন থেকে অবসরে যান। তবে আদালতের রায়ে জয়ী হওয়ার পরেও তার নামে পঞ্চায়েত দপ্তর থেকে যে অর্ডার কপি বের হয়েছে , সেখানে কোন ধরনের অবসরের কথা লেখছে না দপ্তর। তাই তিনি অবসরে যাওয়ার পরেও পেনশন পাচ্ছেন না। এই বিষয়ে দপ্তর থেকে শুরু করে রাজ্যের মুখ্য সচিবের কাছে জানালেও কোন ধরনের উত্তর পাচ্ছেন না স্বপন বাবু। তাই স্বপন বাবুর দাবি অতিসত্বর যাতে দপ্তর অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সহ তার পেনশন চালু করে। না হলে আগামী দিন আদালতের দ্বারস্থ হবেন তিনি



