রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগের ক্ষেত্রে পিআরটিসি বাধ্যতামূলক না হওয়ায় বহির রাজ্যের শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীরা বিজ্ঞপ্তি মূলে আবেদন করার সুযোগ পেত। কারণ এখন সবকিছুই অনলাইনে সম্ভব। বহির রাজ্যের বেকারদের এই সুযোগ সৃষ্টির ফলে বঞ্চিত হবার পথে রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীরা। এনিয়ে প্রতিনিয়ত দাবি উঠতে শুরু করে যে রাজ্য সরকারের যে কোন দপ্তরে নিয়োগের ক্ষেত্রে বেকারদের পি আর টি সি বাধ্যতামূলক করা। অবশেষে দেরিতে হলেও রাজ্যের বেকারদের এই দাবি মেনে নিল রাজ্য মন্ত্রিসভা। সম্প্রতি রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে যেকোনো দপ্তরের নিয়োগের ক্ষেত্রে পিআরটিসি বাধ্যতামূলক। মন্ত্রিসভার এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবে খুশি রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীরা। খুশি হলেন শাসক দলের যুব সংগঠন বিজেপি যুব মোর্চা প্রদেশ কমিটিও। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের, এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য অভিনন্দন জানালো প্রদেশ যুব মোর্চা। বুধবার আগরতলায় প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে সরকারি নিয়োগের ক্ষেত্রে পিআরটিসি বাধ্যতামূলক করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে যুব মোর্চার প্রদেশ সহ-সভাপতি ভিকি প্রসাদ বলেন সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে ডক্টর মানিক সাহার নেতৃত্বাধীন এই সরকার যুবকদের স্বার্থে কাজ করে। যুবকদের কর্মসংস্থানের স্বার্থে, রাজ্যের যুবক-যুবতীদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার স্বার্থে সরকার কাজ করে চলেছে।



