আগরতলা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের হোটেল ও রেস্টুরেন্ট গুলিতে অবৈধভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডার। এই কালোবাজারি দিনের পর দিন চললেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন ধরনের হেলদোল নেই। এতে করে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার না করে, খানিকটা কম দামে ডোমেস্টিক সিলিন্ডারের ব্যবহার যেন দিন দিন বাড়ছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। অবশেষে দেরিতে হলো এই বিষয়ে যেন ঘুম ভাঙলো খাদ্য দপ্তরের। এলপিজি গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার আচমকা অভিযানে নামল দপ্তরের আধিকারিকরা। গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে শনিবার সদর মহকুমা শাসক অফিসের খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরা আচমকা অভিযান চালায় হাঁপানিয়া সহ আমতলী এলাকার বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট এবং হোটেলগুলিতে। অভিযান চলাকালীন আধিকারিকরা প্রত্যক্ষ করেন বেশ কয়েকটি হোটেল ও রেস্টুরেন্টে অবৈধভাবে মজুদ রয়েছে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার। যেগুলি ডোমেস্টিক। বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার না করে হোটেল ও রেস্টুরেন্ট মালিক দীর্ঘদিন ধরেই ডোমেস্টিক সিলিন্ডার ব্যবহার করে অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে আসছে। তাই এদিন খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরা অবৈধভাবে মজুদ রাখা আটটি গ্যাস সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করে। পাশাপাশি আধিকারিকরা এদিন বিভিন্ন দোকানে খাদ্য সামগ্রীর মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে কিনা তাও যাচাই করে দেখেন। এদিনের এই অভিযানে যেসব হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট থেকে অবৈধ এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়েছে সেই সব দোকানের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এই অভিযান প্রসঙ্গে এদিন খাদ্য দপ্তরের আধিকারিকরা জানান এধরনের অভিযান আগামী দিনেও জারি থাকবে। এই অভিযানের মূল কারণ একটাই এলপিজি গ্যাসের কালোবাজারি বন্ধ করা।



