পরিসংখ্যান ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে অধ্যাপক প্রশান্ত চন্দ্র মহলানোবিসের উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য প্রতিবছর ২৯ শে জুন তার জন্মদিনটিকে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস হিসাবে পালন করা হয়।তিনি ভারতীয় পরিসংখ্যানের জনক হিসেবে পরিচিত। ভারত সরকার ২০০৭ সালের ৫ই জুন পরিসংখ্যান ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে প্রশান্তচন্দ্র মহালানোবিশের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২৯ জুন দিনটিকে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস হিসেবে মনোনীত করে। পরিসংখ্যান দিবসের তাৎপর্য হলো কৌশলগত, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং নীতি প্রণয়নে পরিসংখ্যানের ভূমিকা ও গুরুত্ব সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। পরিসংখ্যান ক্ষেত্রে অধ্যাপক মহলানোবিসের কৃতিত্ব থেকে শিক্ষা নেওয়ার জন্যই এই অনুষ্ঠানটি উদযাপন করা হয়। এছাড়া আরও একটি উদ্দেশ্য রয়েছে এই দিবসটি পালনের। তাহল প্রয়াত মহলানোবিসের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আর্থসামাজিক পরিকল্পনা ও নীতি প্রণয়নে পরিসংখ্যানে ভূমিকা ও তাৎপর্য সম্পর্কে জনসাধারণ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। আর এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই বৃহস্পতিবার গোটা দেশজুড়ে ১৭ তম জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসটি উদযাপিত হয়। ব্যতিক্রম ছিলনা রাজ্যেও। রাজ্য সরকারের পরিসংখ্যান দপ্তরের উদ্যোগে এদিন দিবসটি উপলক্ষে মহাকরণে আয়োজন করা হয় এক সেমিনারের। যার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা। এছাড়াও ছিলেন দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিক থেকে শুরু করে সাধারণ কর্মীরা।



