বর্ষার সময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের অজুহাত দিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর কালোবাজারি বরদাস্ত করবে না সরকার ।বুধবারই ব্যবসায়ীদের এই কথা জানিয়ে দিয়েছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। আর এই ঘোষনার ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বৃহস্পতিবার সদর মহকুমা প্রশাসনের নির্দেশে রাজধানীর দুর্গা চৌমুহনী এবং লেইক চৌমুহনী বাজারে অভিযানে নামল প্রশাসন।সদর মহকুমা শাসকের নির্দেশে বৃহস্পতিবার সকালে মহাকুমা প্রশাসন এবং খাদ্য দপ্তরে একটি যৌথ দল রাজধানীর দুর্গা চৌমুহনী এবং লেক চৌমুহনী বাজারে অভিযান চালায় ।প্রথমে যৌথ প্রশাসনের দলটি দুর্গা চমুহনি বাজারে অভিযানে নেমে এক একজন এক এক দোকানে প্রবেশ করে দ্রব্য সামগ্রীর বিক্রয় মূল্য জেনে নেন ।পরে একত্রে তারা বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালান ।এই অভিযান চলাকালীন সময়ে প্রশাসনের যৌথ দলটি একাধিক ব্যবসাহীকে চড়া দামে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি করার প্রমাণ পান। এদিন এক আধিকারিক জানান একাধিক ব্যবসায়ী প্রয়োজনীয় দামের চেয়ে অধিক দামে দ্রব্য সামগ্রী বিক্রি করছেন। এদিন খাদ্য দপ্তরের আধিকারিক প্রদীপ ভৌমিক জানান সদর মহকুমা শাসকের নির্দেশে সদর মহকুমাধীন প্রতিটি বাজারে এই ধরনের অভিযান চালানো হবে ।যারা বেশি দামে সামগ্রী বিক্রি করছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে রাজ্যে বর্ষা শুরু হতেই বিভিন্ন বাজারে একদল ব্যবসায়ী নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিশেষ করে আলু পেঁয়াজ ডাল প্রভৃতি দ্রব্যের ক্রয় মূল্য বাড়িয়ে দেন। সংবাদমাধ্যমে এই সংবাদ প্রচার হওয়ার পর টনক নড়ে খাদ্য দপ্তরের। এরপরই বুধবার মহাকরণে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ী প্রতিনিদের সাথে বৈঠক করেন খাদ্যমন্ত্রী। আর এই বৈঠকের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই বাজারগুলিতে অভিযান শুরু হলো ।এই ধরনের অভিযানের পরেও বর্ষার সময় বাজার গুলিতে দ্রব্য সামগ্রীর কালোবাজারি বন্ধ হয় কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়।



