বর্ষার শুরুতেই জাতীয় সড়কের বিভিন্ন এলাকায় ধ্বস নেমে অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যান চলাচল। জাতীয় সড়কে আটকে পড়েছে বহু নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর গাড়ি। আর এরই সুযোগে রাজ্যের বিভিন্ন বাজার গুলিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে কালোবাজারিরা। বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য সামগ্রীর দাম অনেকটা নীরবেই কালোবাজারীরা বৃদ্ধি করার ফলে বিপাকে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা। বিষয়টি নজরে আসতেই অনেকটা নড়েচড়ে বসল খাদ্য ও জন সংভরন দপ্তর। বাজারে জিনিসপত্রের দাম স্বাভাবিক রাখতে বুধবার মহাকরণের কনফারেন্স হলে বিভিন্ন মার্চেন্ট এসোসিয়েশন, বাজার কমিটি, আগরতলা বাজারের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা প্রতিনিধিদের নিয়ে জরুরী বৈঠকে মিলিত হলেন খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো বর্ষা কালীন সময়ে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম স্বাভাবিক রাখা। বিজেপি নেতৃত্বাধীন রাজ্যে দ্বিতীয় জোট সরকার প্রতিষ্ঠিত হবার পর থেকেই বাজারগুলিতে জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে তৎপর হয়ে ওঠেন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত নতুন মন্ত্রী। মন্ত্রীর নির্দেশে প্রায় প্রতিটি বাজারে দফায় দফায় চলে অভিযান। এতে অনেকটা সাফল্যও পাওয়া যায়। এর মধ্যেই বর্ষাকালীন সময়ে নানাহ সমস্যার অজুহাত দেখিয়ে মর্জি মাফিক দাম বৃদ্ধিতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একাংশ কালোবাজারী। তাই তাদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিতে ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে মিলিত হলেন খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এদিনের বৈঠকে বাজারে জিনিসপত্রের দাম খতিয়ে দেখা হয়। একই সাথে দেখা হয় বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর মজুতের পরিমাণও। বৈঠকে মন্ত্রী শ্রী চৌধুরী ব্যবসায়ীদের জানান জাতীয় সড়কের একাংশ এলাকায় ধস নেমে যাওয়ার ফলে বিভিন্ন পণ্যবাহী গাড়ি আটকে গেলেও রাজ্যে সংকটের কোন কারণ নেই। রাজ্যে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের যে পরিমাণ মজুত রয়েছে, তাতে সংকট দেখা দিয়েছে এমন মনে করার কিছু নেই। নানা অজুহাত দেখিয়ে মানুষের নাভিশ্বাস উঠবে এমন কাজ, কোন অবস্থাতে বরদাস্ত করবে না প্রশাসন। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধিতে যারা যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এদিনের বৈঠক থেকে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে এমনটাই বার্তা দিলেন খাদ্যমন্ত্রী শ্রী চৌধুরী।



