আগামী ২০ জুন পবিত্র রথযাত্রা উৎসব। রথযাত্রা আষাঢ় মাসে আয়োজিত অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে এসময়ে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। তাই আসন্ন এই উৎসবকে সামনে রেখে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে চলছে এখন জোরদার প্রস্তুতি। রাজ্যে সবচেয়ে বড় রথের উৎসবটি হয় মেলাঘরে। এছাড়া আগরতলা শহরের জগন্নাথ জিউ মন্দিরের রথযাত্রা অন্যতম। তবে গত কয়েক বছর ধরে জগন্নাথ জিউ মন্দিরের রথকে যেন অনেকটা টপকে গেল ইসকন আয়োজিত রথ উৎসব। পুরীর অনুকরণে ইসকনের উৎসবেও পৃথক পৃথক তিনটি রথে করে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রাজপথ অতিক্রম করে মাসির বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। আর তাতে সামিল হন প্রচুর সংখ্যক ভক্তরা। ইসকন আয়োজিত রথের উৎসবে অংশ নিয়ে থাকেন মন্ত্রী থেকে শুরু করে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। তাই ইসকনের রথ যেন ভক্তদের কাছে দিন দিন আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। এবছর আগরতলা মঠ চৌমুনীস্থিত ইসকন মন্দির আয়োজিত রথযাত্রা উৎসব অষ্টম বর্ষে পা রাখতে চলেছে। তাই বিগত দিনের মতোই এবারও মহাসমারোহে ইসকন উদযাপন করতে চলেছে রথযাত্রা উৎসব। এর জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি চূড়ান্ত। সোমবার মন্দিরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে রথযাত্রা উৎসবের প্রস্তুতি তুলে ধরেন উদ্যোক্তারা। তারা জানান এবছর জগন্নাথের মাসির বাড়ি হবে রাজধানীর ওরিয়েন্ট চৌমুনি স্থিত গুরুজী কনফারেন্স হলে। সেখানে সাত দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে নানা ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মসূচি সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর মধ্যে রয়েছে রক্তদান শিবির, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা সহ আরো নানা কর্মকাণ্ড। রথযাত্রা উৎসবের দিন মন্দিরে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা ও পর্যটন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীসহ আরো বিশিষ্টজন। এছাড়া শেষ দিন উল্টো রথের দিন থাকবেন প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মা, প্রদেশ বিজেপি সভাপতি রাজিব ভট্টাচার্য সহ আরো অনেকে।



