Saturday, January 24, 2026
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদপ্রকৃত জননেতা নীতিশ দে। বিস্তারিত পড়ুন

প্রকৃত জননেতা নীতিশ দে। বিস্তারিত পড়ুন

আবারও প্রকৃত জননেতা হিসেবে পরিচয় দিলেন কৈলাসহর পুর পরিসদের ভাইস চেয়ারপার্সন নীতিশ দে। কৈলাসহর শহর উত্তরাঞ্চলের যুবরাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের এক নং ওয়ার্ডের টিলাবাজার স্কুল লাগোয়া একটি পরিত্যাক্ত যায়গায় দীর্ঘ প্রায় চল্লিশ বৎসর ধরে হয়ে আসছে হিন্দুদের সবচাইতে আবেগের উৎসব দূর্গা পূজো। হিন্দুদের আবেগের এই উৎসব শহর উত্তরাঞ্চলের সর্বঅংশের মানুষের যোগদানে প্রতি বৎসর এক সুবার্তা নিয়ে আসে শহর উত্তরাঞ্চলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সহ সমস্ত সম্প্রদায়ের মধ্যে। বিগত তিন বৎসর যাবৎ শহর উত্তরাঞ্চলের মানুষের বিভিন্ন দাবীর মধ্যে ১৩৩ কেভি বৈদ্যুতিক সাবশ্টেশনের দাবী ছিল অন্যতম আর এই সাবশ্টেশনের কাজ শুরু হতেই পূজোর যায়গা নিয়ে কিছুটা বাঁধ সাধে। কিন্তু মানুষের আবেগকে মান্যতা দিয়ে শহর উত্তরাঞ্চলের পূজো কমিটির সদস্য সহ সকলেই পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নীতিশ দে’র সাথে দেখা করলে উনি পূজো কমিটির সদস্যদের কথা দেন যে, পূজোর স্থানে মাটি ভরাট করে হিন্দুদের ভাবাবেগের এই স্থানকে পূজোর উপযুক্ত করে তুলবেন। সেই মোতাবেক কথা রাখলেন নীতিশ দে। পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নীতিশ দে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন যে, পূজো কমিটির দীর্ঘ দিনের দাবী ছিলো এই স্থানটিকে সৌন্দর্যায়ন ও মাটি ভারাট করে দেয়ার আর তাদের আবদারকে মান্যতা দিয়ে উনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এমনকি এই জায়গায় মাটি ফেলার জন্য টাকার প্রয়োজন ছিলো। এই কাজের জন্য ভাইস চেয়ারপার্সন নীতিশ দে উনার চার মাসের বেতনের পুরো টাকা দিয়ে এই জায়গায় মাটি ভরাট করে পুজোর উপযুক্ত করে দেন। নীতিশ বাবুর এই মহানুভবতাকে স্থানীয় এলাকার মানুষ সাধুবাদ জানান। আগামী দিনেও এই এলাকার মানুষের সাথে যেকোনো কাজে সামিল থাকবেন বলেও নীতিশ বাবু জানান। তাছাড়া নীতিশ দে-এর এই মানবিক কাজের উচ্চ প্রশংসা করেন এলাকার প্রবীণ ব্যাক্তি তথা কৈলাসহরের বিশিষ্ট সমাজসেবী বিধান দাস।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

eight − three =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য