বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১৮ই মার্চ.…….কর্মসংস্থানের মাধ্যমে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে খোয়াই পশ্চিম সোনাতলা এলাকায় ২০৮ নং জাতীয় সড়কের পাশে দের কানি জায়গার মধ্যে তৈরি হতে চলেছে কাটিয়া বাবার সেবাশ্রম । এই মহতী উদ্যোগকে সামনে রেখে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাঠিয়া বাবা সেবাশ্রমের জন্য ক্রয় করা জায়গাটি পরিদর্শন করতে খোয়াইতে আসলেন বৃন্দাবন থেকে আগত শ্রী শ্রী ১০৮ সামি রাসবিহারী দাস কাঠিয়া বাবা মহারাজ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রথমে তিনি কাঠিয়া বাবা আশ্রমের জন্য ক্রয় করা সেই জায়গাটি পরিদর্শন করেন এর পর জায়গাটির পাশেই কাঠির বাবা পরিবারের ভক্ত যদু নন্দ দেবনাথের বাড়িতে শ্রী গুরু নিকেতনের কাঠির বাবা মন্দিরে কিছু সময়ের জন্য পদার্পণ করেন ভক্তদের দর্শন দেবার জন্য। তিনি হলেন শ্রীশ্রী ১০৮ স্বামী রাসবিহারী দাস কাঠিয়া বাবা সন্ত মহারাজ। তিনি বৃন্দাবনের চার সম্প্রদায়ের কাঠিয়া বাবা শ্রী মহন্ত। এই বিষয়ে কাঠিয়া বাবা পরিবারের ভক্ত যদুনন্দ দেবনাথ জানান কাঠিয়া বাবা সেবাশ্রমের জন্য ক্রয় করা জায়গাটির উপর একটি সেবাশ্রম তৈরি করা হবে। তার জন্য সেই জায়গাটি পরিদর্শন করতে খোয়াইতে আসলে মহারাজি। এবং মহারাজ্জির নামে জায়গাটিতে একটি সেবাশ্রম তৈরি হচ্ছে সুনে তাতে তিনি ব্যাপক খুশি হয়েছেন। কারণ খোয়াইতে কাঠিয়া বাবার কোন আশ্রম নেই। তিনি এও জানান মহারাজ জী বৃন্দাবনে গিয়ে এই সেবাশ্রম এর জন্য সমস্ত প্ল্যান এবং ইস্টিমেট করে পাঠাবেন। এরপরই মন্দিরের কাজ শুরু হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শ্রী গুরু নিকেতনে ভক্তদের উদ্দেশ্যে ধর্ম জ্ঞান প্রচারের পাশাপাশি সমস্ত ভক্তদের কাছে আবেদন করেন যে সেবাশ্রমটি তৈরি করার জন্য যেন সমস্ত ভক্তরা তাদের সাধ্যমত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।এই সেবাশ্রমের নাকরণ হবে রাসবিহারী দাস কাঠিয়া বাবা সেবাশ্রম খোয়াই পশ্চিম সোনাতলা। এই দিন সন্ধ্যায় গুরু নিকেতনের কাঠির বাবা মন্দিরে মহারাজ জিকে ছোট্ট পরিসরে গুরু পূজা করা হয়। এছাড়া এই দিন এই গুরু নিকেতনে কাঠি বাবা সম্প্রদায়ের ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায় যে একটি বারের জন্য মহারাজ জিকে দর্শন এবং প্রণাম করার উদ্দেশ্যে। এরপর সমস্ত ভক্তদের উদ্দেশ্যে ধর্মমূলক উপদেশ দেন তিনি । এরপর ভক্তদের উদ্দেশ্যে প্রসাদ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ফল মূল বিস্কুট চকলেট ইত্যাদি বিলি করা হয় এরপর তিনি রাত আট ঘটিকায় পুনরায় আগরতলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান। দেখা গেছে মঙ্গলবার সন্ধ্যা রাতে প্রায় এক ঘণ্টার জন্য কাঠিয়া বাবা মহারাজের শুভ পদার্পণ ঘটে তাতে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এর পাশাপাশি সেখানে চলে গুরু নামের বন্ধনা ও সংকীর্তন ।আর তাতে করে জায়গাটিতে গুরু নাম এবং সংকীর্তন এর ধ্বনিতে সমস্ত এলাকাটি পবিত্র হয়ে ওঠে। একটা সময় মনে হয়েছিল সেই জায়গাটি একটি তীর্থস্থানে রূপান্তরিত হয়েছে শ্রী শ্রী ১০৮ স্বামী রাজবিহারী দাশ কাঠিয়া বাবা মহারাজ জির চরণধূলি পড়ার কারণে। আর তেমনটাই মন্তব্য করেন সমস্ত ভক্ত সহ এলাকাবাসীরা।



