ভবিষ্যৎ প্রতিনিধি খোয়াই ৩১শে জানুয়ারি.…..শনিবার দুপুরে সমাপ্ত হল একমাস ব্যাপী জাতীয় সড়ক সুরক্ষা মাস ২০২৬ খোয়াই বি আর সি হলে। গত ১লা জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল জাতীয় সড়ক সুরক্ষা মাস।উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেল শাসক রজত পন্থ, খোয়াই জেলা পুলিশ সুপার রানাদিত্য দাস,ডি সি এম কিশোর দেববর্মা , জাতীয় সড়ক পড়িবহন নিগমের ডি ডি ও সন্দীপ দেববর্মা।ও মন্ডল সভাপতি অনুকূল দাস। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই মহকুমা এলাকার বিভিন্ন যান চালকরা। এই দিন অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত অতিথিরা আটজন যান চালকদের শালের চাদড় পরিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন। যারা যানবাহন চালনার ক্ষেত্রে বিশেষ ভাবে যাত্রিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে যানবাহন চালনার কাজ করেন।এর পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা পুলিশ সুপার রানাদিত্য দাস বলে যান চালকরা যাতে মদমত্ত অবস্থায় যানবাহন না চালান। পাশাপাশি হেলমেট পরে বাইক চালান। এবং নিজের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে সেইভাবে চলাচলের জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।এর পর উৎভোধক জেলা শাসক রজত পন্থ বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন সড়ক সুরক্ষার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। তাছাড়া আজকাল স্কুল কলেজের ছেলেরা হেলমেট ছাড়া বাইক চালিয়ে রাস্তায় প্রতিযোগিতা করে। তাদের উদ্দেশ্য একটাই জীবন তাই শখ করে বাইক চালিয়ে মরে গেলে কি হবে। সেখানেই প্রশ্নের উত্তরে জেলাশাসক বলেন যে বাইক চালিয়ে কোন দুর্ঘটনার কারণে মৃত্যুবরণ করে কোন লাভ নেই। তাদের সেই সব ছেলেদের মৃত্যুর কারণে মা-বাবারা অসহায় হয়ে পড়ে। তিনি এও বলেন যদি মরতে হয় দেশের জন্য ভারত মাতার জন্য মৃত্যুবরণ করো। সেই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন বাইক চালিয়ে মৃত্যুবরণ না করে একজন ভারতীয় নাগরিক হিসেবে দেশের যেকোনো সেনাবাহিনীতে যোগদান করে দেশ মাতৃকার সেবাতে নিজেকে নিয়োজিত করে আত্ম বলিদান করা ওটা ওর জন্য সব থেকে গর্বে বিষয় হবে। শুধু তাই না সেই ছেলেটি মৃত্যুর পরও তার মা-বাবা ছেলেকে হারানোর সমস্ত দুঃখ গ্লানিকে মুছে দিয়ে একটা কথাই বলবে যে আমার ছেলে দেশ মাতৃক আশরাফাতে প্রাণ দিয়েছে সেটাই সবথেকে গর্বের বিষয়। এই ধরনের চিন্তা ভাবনা নিয়ে চলতে আজকালকার যুবকদের প্রতি তিনি আহবান রাখেন। এছাড়া সড়ক সুরক্ষার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন তিনি।



