বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ১০ই জানুয়ারি….. খোয়াই চেবরির পেক্নিছড়ায় রাস্তার নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে। নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার, মেটেলিং ছাড়াই রাস্তার কাজ তড়িঘড়ি শেষ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করল এলাকাবাসীরা।ঘটনার বিবরণে প্রকাশ চেবরি পেক্নিছড়ায় প্রায় তিন কিলোমিটারের উপর রাস্তা ভেঙ্গে নষ্ট হয়ে যায়। এর পরবর্তীতে এই কাজের টেন্ডার বের হয় আর ডি ব্লক থেকে। প্রায় ৪ কোটি ১৯ লক্ষ টাকার রাস্তার কাজ বের হয়। যেখানে রাস্তায় মেটেলিং কার্পেটিং থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু ধরা থাকলেও একেবারে নিয়ম বহির্ভূতভাবে উপর থেকে নিচ পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ লক্ষ নোট ছিটিয়ে জঘন্যতম কাজ করছে ঠিকাদাররা। আগে পিচের উপরেই দুই দফায় R S -1 জাতিয় তেলের আস্তরণ দিয়ে চলছে নিম্নমানের কাজ। এদিকে রাস্তার কাজে রাস্তার পাশে বোল্ডারও ধরা ছিল। কিন্তু সেই বোল্ডাগুলির গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে । একদম নিম্নমানের বোল্ডার বলে অভিযোগ রয়েছে। রাস্তার কাজের সাথে যে ড্রেনের কাজও ধরা হয়েছিল সেই কাজ নিয়েও ক্ষোভ এলাকাবাসীর। এই দিকে ইঞ্জিনিয়ার গোটা রাস্তার কাজটি দেখভাল করার জন্য রাস্তা তৈরির সময় উনার থাকার কথা থাকলেও সেখানে উনাকে পাওয়া যায়নি ,ওনার পরিবর্তে ছিল অন্য দুজন যাদের চোখের সামনে সেই আর এস ওয়ান তেল ছিটিয়ে পুরনো রাস্তার ওপর মে টেলিং না করে সেই পেজে রাস্তার উপর কার্পেটিং করে দিচ্ছে অথচ সেখানে উপস্থিত এক মহিলা এবং এক পুরুষ ইঞ্জিনিয়ার সবকিছু দেখে চোখে ঠুলি পরে মুখে কলা দিয়ে বসে আছে।এই রাস্তার গুণগত মান নিয়ে পাশাপাশি গোটা বিষয় নিয়ে তাদের প্রশ্ন করা হলে কোন প্রশ্নেরই সেরকম উত্তর দিতে পারেনি তারা?এলাকাবাসীর বক্তব্য এভাবে রাস্তা তৈরি হলে কয়েক মাসের মধ্যেই রাস্তাটি সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে যাবে। এর থেকে আগের রাস্তায় ভাল ছিল বলে আক্ষেপের সুরে বললেন কয়েকজন এলাকাবাসী। এখন দেখার বিষয় সংবাদ পরিবেশন এর পর এই রাস্তার কাজের গুণগত মান কতটুকু হয়েছে তার তদন্ত করে কিনা দপ্তর? কান পাতলেই সূত্র মারফত শোনা যায়, ঠিকাদাররা ডেম কেয়ার! শুধু তাই না পূর্ত দফতরের প্রত্যেকটি কাজে এই ধরনের ঘোটালা চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ঠিকাদারদের মাথার উপরে রয়েছে ভগবান শিবের ধনুকের আশীর্বাদ। গোপন সূত্রে এও খবর রয়েছে কাজ শুরু হওয়ার আগেই নাকি বড় অংকের উপঢৌকন পৌঁছে গেছে একদম উপরস্তর থেকে সরকারি স্তর পর্যন্ত। এখানে উল্লেখ্য ইঞ্জিনিয়ার অমিত দাস যে কাজেই দেখভাল করতে যাচ্ছেন সেখানেই উনার বিরুদ্ধে উঠছে ঠিকাদারের সঙ্গে মিলে কাজের গুণগতমান নষ্ট করার অভিযোগের বিষয়টি। শুধু তাই না ইঞ্জিনিয়ার অমিত দাস পূর্ত দপ্তরে যে কোন কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সর্বদা সংবাদ মাধ্যমকে ভুল তথ্য দিয়ে থাকেন কোন মতলবে? এই রাস্তাটির বিষয় নিয়েও আগে উনার সাথে কথা বলা হয়েছিল । কিন্তু গোটা বিষয়টিকে কেন্দ্র করে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বার বার ভুল তথ্য দিয়েছিলেন যে এই রাস্তার কাজে সবকিছু ঠিকঠাক রয়েছে !অথচ সরজমিনে পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখা গেল ইঞ্জিনিয়ার অমিত দাস যে তথ্য সংবাদ মাধ্যমকে দিয়েছিল তার উল্টো পুরাণ চলছে রাস্তার নির্মাণ কাজ নিয়ে। টেন্ডারের সাথে কাজের কোন মিল নেই আর সেটাই ঠিক বলে সমস্ত রাস্তাটির বিষয় নিয়ে গত কিছুদিন আগে সংবাদমাধ্যমের কাছে ভুল তথ্য তুলে ধরেছিলেন ইঞ্জিনিয়ার অমিত দাস। যা প্রমাণ হয়ে গেল সমস্ত কাজটি চলছে ঘোটলার উপর। আর এই রাস্তার খবর বিভিন্ন বৈদ্যুতিন মাধ্যমে প্রকাশিত হতেই লেজুরবৃত্তি করা কিছু বুদ্ধিজীবী লোক ওই এলাকায় গিয়ে সংবাদ মাধ্যমকে কটাক্ষ করে বলে যে সংবাদকর্মীরা নাকি আজকাল রাস্তার কাজে নাক গলায় কিছু না বুঝে। ওই সব ব্যক্তির উদ্দেশ্যে একটি কথাই বলার সংবাদকর্মীরা রাস্তার কাজ মাপ ঝোক সবকিছু জেনে বুঝে এবং জানে বলেই সঠিক সংবাদ প্রকাশের সাহস রাখে।তাদের মতন লেজুরবৃত্তি করলে এই সংবাদ প্রকাশিত হতো না। এত বড় ঘোটালা চেপে যেত সবাই। তবে গোটা বিষয়টিকে নিয়ে আরো পরিষ্কার তথ্য দিয়ে দ্বিতীয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে অতি সত্ত্বর।



