বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ২৩শে আগষ্ট………খোয়াই যাদব মহাসভার উদ্যোগে খোয়াই সুভাষ পার্ক স্থিত শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণে গত এক সপ্তাহ ব্যাপী চলছে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠান ও মেলা। শনিবার এই মেলা পরিদর্শনে আসলেন বিজেপি দলের রাজ্য সহ-সভাপতি সুবল ভৌমিক ও রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী মিমি মজুমদার।শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে এই মেলা উত্তর পূর্বাঞ্চলের মধ্যে সবথেকে বড় মেলা। এই মেলাতে রাজ্য সহ বহি রাজ্য থেকে প্রচুর সংখ্যক ব্যবসায়ীরা তাদের প্রসারী সাজিয়ে বসেন ব্যবসা করতে। এবং এই সাত দিনব্যাপী মেলাতে প্রচুর সংখ্যক ভক্তদের আগমন ঘটে। এবং এই জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গনে চলে সাত দিনব্যাপী নাম কীর্তন অনুষ্ঠান। সাত দিনব্যাপী এই জন্মাষ্টমী অনুষ্ঠানটি উপভোগ করতে শনিবার দুপুরে মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন ত্রিপুরা রাজ্য বিজেপি দলের রাজ্য সহ সভাপতি সুবল ভৌমিক। তিনি মন্দির প্রাঙ্গণ এবং মেলা প্রাঙ্গণটি ঘুরে দেখেন। এরপর শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি তিনি জানান তিনি এখানে না আসলে বুঝতেই পারতেন না যে খোয়াই যাদব মহাসভার উদ্যোগে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে এত বড় মেলার আয়োজন করা হয়। যা দেখে তিনি খুবই আপ্লুত। তার জন্য খোয়াই যাদব মহাসভা এবং মেলা কমিটিকে আন্তরিকভাবে মনের অন্তস্থল থেকে শুভেচ্ছা জানান। এবং এও বলেন জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে এই মেলাতে সকল অংশের মানুষ যোগদান করে বলেই এই জন্মাষ্টমী মেলার মাহিত্যটা অনেক বেড়ে গেছে। খোয়াই যাদব মহাসভার উদ্যোগে আয়োজিত শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত সাতদিনব্যাপী নাম কীর্তন এবং যে মেলার আয়োজন করা হয় তার পরিধি এবং শ্রী বৃদ্ধি কামনা করেন সুবল ভৌমিক।খোয়াই যাদব মহাসভার উদ্যোগে খোয়াই সুভাষ পার্ক স্থিত শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির প্রাঙ্গণে চলছে গত ১৬ই আগষ্ট থেকে সাত দিনব্যাপী শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সাতদিন ব্যাপি নাম কির্তন ও মেলা। তা উপভোগ করতে বিজেপি দলের মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী শ্রীমতি মিমি মজুমদার শনিবার বিকেল চারটায় খোয়াইতে এক দলীয় কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে এসে প্রথমেই শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত নামকির্তন ও মন্দির প্রাঙ্গণে শ্রীকৃষ্ণের বাল্য রুপের বিভিন্ন লিলা গুলি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন খোয়াইতে এসে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে নাম কীর্তন ও মেলা দেখে বিষয়টা ওনার একটু অন্যরকম বলে মনে হল। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন শ্রীকৃষ্ণ প্রভুর জন্মের পর ওনার বাল্যকালের বিভিন্ন ধরনের লীলাখেলা গুলি উপস্থাপন করা ছিল মন্দির প্রাঙ্গনে একের পর এক সারিবদ্ধভাবে। অর্থাৎ উনার বাল্যকালের বিভিন্ন লীলা গুলিকে এখানে লীলার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে উনার জন্ম থেকে শুরু করে লীলা খেলার দৃশ্য সাজিয়ে তোলা হয় পাশাপাশি সখীদের নিয়ে যে ধরনের লীলা করেছেন তিনি সব ধরনের লীলার প্রতিচ্ছবি গুলিকে ফোটানো হয়েছে বিভিন্ন ধরনের মূর্তি তৈরীর মাধ্যমে। এবং খুব সুন্দর আয়োজন পাশাপাশি অনুপ্রেরণামূলক এক কর্মযজ্ঞ। এর জন্য তিনি উদ্যোক্তাদের আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এবং বলেন এই ভাবেই যেন উৎসব পালন করেন তাতে ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটবে আরো বেশি করে। তিনি এও বলেন রাজ্য সহ সব জায়গাতেই যাতে এইভাবে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী পালন করা হয় এবং সনাতন ধর্মের প্রতি যেন মানুষের আনুগত্তা আরো বৃদ্ধি পায়। ইতিমধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে রাজ্য সহ সারাদেশে নাম কীর্তন থেকে শুরু করে হরিনাম নেওয়া এবং কৃষ্ণ ঠাকুরের আরাধনা করা হচ্ছে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে। এরপর আসছে গনেশ পূজা এখন একের পর এক বিভিন্ন পুজা পর্বত লেগেই থাকবে বিশেষ করে হিন্দুদের। তাই বিশেষ করে এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যাতে আমরা আমাদের কৃষ্টি এবং সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে পারি তার জন্য সর্বদা চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। সর্বশেষে খোয়াই যাদব মহাসভার উদ্যোগে আয়োজিত ৭ দিনব্যাপী শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে নাম কীর্তন ও মেলার আয়োজন দেখে ব্যাপক খুশি হন রাজ্য মহিলা মোর্চার শভানেত্রী মিমি মজুমদার । পাশাপাশি এই ধরনের এত বড় অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য খোয়াই যাদব মহাসভা এবং মেলা কমিটির সমস্ত উদ্যোক্তাদের আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানান পাশাপাশি এই মেলার শ্রী বৃদ্ধি হোক সেই কামনাও করেন।