বাসুদেব ভট্টাচার্যী খোয়াই ৪ঠা জুলাই….সংস্কৃতি শহর খোয়াই কে একদিকে অবৈধ নেশা সামগ্রীর কারবারিরা অন্যদিকে মক্ষি রানীর আনাগোনা সংস্কৃতি শহরকে একেবারে কালিমা লিপ্ত করতে উদ্যত হয়ে রয়েছে। এরইমধ্যে পরকীয়া সংক্রান্ত ঘটনা বারবার প্রকাশিত হচ্ছে এমনই একটি ঘটনা ঘটল শুক্রবার দুপুরে খোয়াই শহরে। ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে খোয়াই সুভাষ পার্ক কালিবাড়ি এলাকার এক গৃহবধূ স্নিগ্ধা দেব জানায় দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া আসক্ত ছিল নার্সিং পড়ুয়া তার স্বামী মেঘন দেবনাথ। মেঘনের বাড়ি খোয়াই অফিস টিলা ডি ডব্লিউ এস অফিস সংলগ্ন এলাকাতে। গৃহবধূ আরো জানান সে এবং মেগনের মধ্যে প্রনয়ের সম্পর্ক ছিল, পরবর্তীতে গত ডিসেম্বর মাসে তাদের বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের প্রথম প্রথম ভালোই ছিল পরবর্তীতে স্নিগ্ধার উপর শারীরিক এবং মানসিক অত্যাচার শুরু তার স্বামী মেঘন। একদিকে শারীরিক এবং মানসিক অত্যাচার অন্যদিকে স্বামী পরকীয়ায় আসক্ত। গোটা ঘটনাটি যখন উপলব্ধি করতে পারেন স্নিগ্ধা। পরবর্তীতে মেঘনের প্রতি তীক্ষ্ণ নজর লাগছিল এবং একটা সময় স্নিগ্ধা টের পায় তার স্বামী পরকীয়া আসক্ত তার বাল্যকালের সহপাঠীর সাথে । যথারীতি তার স্বামীর গতিবিধি লক্ষ্য করছিল এবং ফোনে কার সঙ্গে অধিকাংশ সময় আলোচনা হয় সেগুলো ভালো করে লক্ষ্য করছিল। স্নিগ্ধার স্বামী যেই মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া আসক্ত সেই মেয়েটি স্নিগ্ধার সহপাঠী তাকে গোটা বিষয়টি জানিয়ে তাকে সাবধান করে দিয়েছিল যেন স্নিগ্ধার স্বামী মেঘনের সঙ্গে কোন যোগাযোগ না রাখেন। তারপরও গোপনে ফোনে কথা আলাপ এবং যোগাযোগ রাখত প্রহর মুড়া সেই মেয়েটি। মেঘন এবং স্নিগ্ধার সহপাঠী পহরমুড়ার মেয়েটি whatsapp এর মাধ্যমে আলাপচারিতা জেনে আজ স্নিগ্ধা তার পরিবারের লোকজনসহ খোয়াই হসপিটাল সংলগ্ন ত্রিপুরেশ্বরী হোটেলের একটি রুমে পরকীয়া করার সময় হাত নাতে ধরে ফেলেন। চিৎকার চেঁচামেচি পরবর্তীতে গেস্ট হাউস কর্তৃপক্ষ খোয়াই থানাতে খবর পাঠান এবং মেঘন দেবনাথকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায় । পরবর্তীতে স্নিগ্ধার পরিবার পক্ষ থেকে গোটা বিষয়টি উল্লেখ করে খোয়াই মহিলা থানাতে একটি মামলা প্রদান করে শুক্রবার রাত ৭ টা নাগাদ। পরবর্তীতে শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটা অব্দি পুলিশের বিভিন্ন কাজ থাকার কারণে মহিলা থানার পুলিশ মামলাটি রেজিস্টার করতে পারেনি। তবে শুক্রবার রাতেই মামলাটি রেজিস্টার করা হবে বলে জানা যায় খোয়াই মহিলা থানার পক্ষ থেকে।