বাসুদেব ভট্টাচার্য খোয়াই ১৮ই আগস্ট…শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানম*বিদ্যালয় হচ্ছে জ্ঞানের পিঠস্থান।আর সেখানেই যদি বেল্লাপনার সৃষ্টি হয় যখন এই পবিত্র স্থান ব্যভিচারে ভরে যায় তাহলে সমাজব্যবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে সেটাই প্রশ্ন।এখানে বলা বাহুল্য সাম্প্রতিক কালে বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে ব্যভিচারীতা ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থান, কালের বোধশক্তি সবকিছুই হারিয়ে ফেলেছে নতুন প্রজন্মের ছাত্র ছাত্রীরা এর জন্য দায়ী তাদের অভিভাবকরা তাদের আদরের দুলাল এবং দুলালীকে দামি মোবাইল দিয়ে স্কুলে পাঠানোর পরি নামেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে প্রায় প্রতিটি স্কুলে প্রতিনিয়ত। সম্প্রতি খোয়াই শহরের বনেদী স্কুল বলে ক্ষাতি অর্জন কারি খোয়াই সরকারি দ্বাদশ শ্রেণী ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের ব্যভিচারিতা এবং অশ্লীশ ছবির পাশাপাশি অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ করা হয়েছে যা সংবাদে প্রকাশ করাও লজ্জাজনক সেই গুলি ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে খোয়াই শহর সহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে। বিজ্ঞান বিভাগে দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠরত কয়েকজন ছাত্রী তাদের সহপাঠী এক ছাত্রীর ও তার বয়ফ্রেন্ডের অশ্লীশ ছবি ক্যামেরাবন্দি করে নিয়েছে ক্লাসরুমের মধ্যে। ছবিতে দেখা গেছে উক্ত ছাত্রীকে একই ক্লাসে পাঠরত তার বয়ফ্রেন্ডর সাথে শ্রেণি কক্ষে বসে বিশ্রী ভাবে ব্যাভি চারিতায় লিপ্ত হয়ে রয়েছে।খবর নিয়ে জানা যায় উক্ত ছাত্রীর বাড়ি খোয়াই পশ্চিমগণকি গ্রাম পঞ্চায়েতের কালিবাড়ি এলাকায় ছাত্রীর পিতা পেশায় একজন শিক্ষক! খুবই ভালো। আর এই ঘটনার সাথে জড়িত ছাত্রের বাড়ি খোয়াই এর বারবিল এলাকায়, পিতা ভারতীয় সীমান্ত বাহিনীতে কর্মরত।অপর আরেকটি ভিডিও তে লক্ষ্য করা যাচ্ছে উক্ত ছাত্রীর তিনজন সহপাঠীরা মিলে অশ্লিল ভাষা প্রয়োগ করছে যা সমাজের কোন ভদ্র মানুষ সেই ভাষা গুলি প্রয়োগ করে না কিন্তু স্কুলে পাঠরতা ছাত্রীরা সেই ভাষা গুলি প্রয়োগ করছে। শহরের বনেদি স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগে পাঠরত ছাত্রীদের অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ এবং উচ্চারণ দেখে বিস্মিত খোয়াই এর শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষরা। তাই এখানে প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যালয়ে শিক্ষাদান করা হয় নাকি ব্যভিচারীতার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক থেকে শুরু করে বিদ্যালয় কর্মরত শিক্ষক শিক্ষিকারা শুধু কি মাসোহারা গুনার জন্য স্কুলে আসছেন। এ নিয়ে বহু প্রশ্ন খোয়াই বাসীর মধ্যে। বর্তমান রাজ্য সরকার শিক্ষা ক্ষেত্রে সার্বিক পরিষেবা প্রদানের জন্য স্কুলগুলোতে বিদ্যা জ্যোতি প্রকল্পের আওতায় যুক্ত করেছিলেন আর অন্যদিকে স্কুলের ছাত্রীরা এই ধরনের ব্যাবিচারিতা করে চলেছে।এর জন্য সম্পূর্ণভাবে দায়ী স্কুলের প্রধান শিক্ষক থেকে শুরু করেস্কুল মানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান পর্যন্ত।দেখা গেছে স্কুলের প্রধান শিক্ষক রতন দেববর্মা স্কুলে আসার পর নিজ কক্ষে একবার প্রবেশ করলে সেই কক্ষ থেকেবের হন স্কুল ছুটির পর।স্কুল চলাকালী স্কুলে কি হচ্ছে তিনি কোন কিছুরই খোঁজ খবর রাখেন না।শুধু তাই না স্কুলের প্রধান শিক্ষক রতন দেববর্মা ও স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা শ্রীমতি কৃষ্ণা দাস স্কুলের ম্যানেজমেন্ট কমিটির কাউকেই কোন ব্যাপারে কোন কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করেন না স্কুলে কি চলছে বা ছাত্র-ছাত্রীরা কি করছে স্কুলে এবং স্কুলের বাউন্ডারির বাইরে সেই বিশেষ স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকা দের কোন পাত্তাই দেন না ।আর তাতে করে স্কুলের অনেক শিক্ষকই শিক্ষকতা দান করে চলেছেন মাত্র ।স্কুলে কি হচ্ছে না হচ্ছে কোন কিছুর খবর রাখেন না কারণ তাদের কথা কোন শালা পরামর্শ নিতে চান নাস্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটি।শুধু তাই না বিগত অনেকদিন আগে রাজ্য সরকার প্রত্যেকটি স্কুলে টাফ কাউন্সিল কমিটি তৈরি করে দিয়েছিল যে সেই কমিটিস্কুলের বিভিন্ন ভালো-মন্দ দিক দেখা শোনা করবেন কিন্তু প্রধান শিক্ষক রতন দেববর্মাও সহকারী প্রধান শিক্ষিকা শ্রীমতি কৃষ্ণা দাস সেই কমিটির কারো সাথে কোন ধরনের সালা পরামর্শ করেন না যার ফলে স্কুলে চলছে এই ধরনের ব্যভিচারীতা।এই বিষয়ে আরো জানা যায় প্রধান শিক্ষক রতন দেববর্মার সাথে স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মহকুমা শাসক বিজয় সিনাহার সাথে ব্যাপক পরিমাণে সখ্যতা রয়েছে ।যার ফলে স্কুলের কোন কিছুর ব্যাপারে ষ্টাফ কাউন্সিল এবং স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির কারো সাথে কোন কথাবার্তা বলেন না দুই প্রধান শিক্ষক যা কিছু বলার স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মহকুমা শাসক বিজয় সিনহাকে বলে দেন ঠিকই কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না কারণ কারণ স্কুলের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে মহকুমা শাসক বিজয় সিনহা কিছুই জানেন না যার ফলে এই স্কুলে এই ধরনের ব্যাবিচারিতা চলছে এক কথায় স্কুলের জন্য কোন নির্দেশিকা নেই।অন্যদিকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক রতন দেববর্মা নিজের মর্জি মাফিক স্কুলটিকে চালনা করছেন।স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর শিক্ষকদের কোন কন্ট্রোল না থাকার কারণে স্কুল চলাকালীন সময়ে এবং টিফিন চলাকালীন সমেয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল থেকে বেরিয়ে স্কুল এলাকার অনেক পরিত্যক্ত বাড়ি ঘরের ভিতরে গিয়ে ব্যভিচারিতায় লিপ্ত হতে এলাকার মানুষ দেখতে পেয়ে এলাকা বাসি বকা ঝকা দিয়ে তাদেরকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেয়।এইভাবে যদি সরকারি ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা নিত্যদিন ব্যবিচারিতায় লিপ্ত থাকে তাহলে আগামী দিন কোন ভদ্র ঘরের ছেলে মেয়েরা এই স্কুলে পড়তে আসবেনা।আর এ ধরনের পরিস্থিতিকে যদি অতি সত্তর শিক্ষা দপ্তর কন্ট্রোলে না আনেন তাহলে কিছু দিনের মধ্যে খোয়াই সরকারি দ্বাদশ শ্রেণী ইংরেজিমা ধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্ছন্নে যাবে বলে মনে করেন খোয়াই বাসি..



