হাসপাতালে আসার পথে প্রসব বেদনায় কাতর এক উপজাতি মহিলা সন্তান প্রসব করলো প্রকাশ্য দিবালোকে সরকারি শৌচাগারে।পরে উপস্তিত জনতা বারবার ১০২ এম্বুলেন্স কে ফোন করলেও আসছি আসবো বলে আরো আধ ঘন্টা কাটিয়ে দিলে অসহায় সন্তান প্রসব জননীর অবস্থা আরো করুন হয়ে উঠে।পরে উপস্তিত জনতা এ বিষয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকের দ্বারস্থ হলে সাংবাদিকের ফোন পেয়ে তরিগড়ি ঘটনাস্তলে ছুটে আসে ১০২ অ্যাম্বুল্যান্স এবং দমকল বাহিনীর কর্মীরা।ঘটনা সোমবার বেলা দেড়টা নাগাদ তেলিয়ামুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র বলে পরিচিত অম্পী চৌহমুনি এলাকায়।সংবাদে প্রকাশ থাকে যে, ওইদিন তেলিয়ামুড়ার দুস্কি এলাকার বাসিন্দা কার্তিক Debbarma স্ত্রী রেশমি Debbarma (২৮) প্রসব বেদনা শুরু হলে বাড়ি থেকে তার পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালের উদ্যেশ্যে রওয়ানা দেয়।হাসপাতাল পৌঁছার আধ কিলোমিটার আগে লেট্রিনের বেগ পেলে অম্পি চৌহমুনি এলাকায় সরকারি শৌচাগারে যায় প্রাকৃতিক কাজ সম্পন্ন করতে আর সেখানেই ওই উপজাতি মহিলা সন্তান প্রসব করে।পরে তার পরিবারের লোকজন ও উপস্তিত জনতা হাসপাতালে যোগাযোগ করেও অ্যাম্বুল্যান্স কে নিয়ে আসতে ব্যর্থ হয়।পরে এক সাংবাদিকের তৎপরতায় অ্যাম্বুল্যান্স এসে ওই প্রসব মহিলাকে আধ ঘণ্টা পর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ততক্ষনে সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া পুত্র সন্তানটির অবস্থা অবনতির দিকে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মা এবং শিশুকে জিবি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে।অভিযোগ সময়মত অ্যাম্বুল্যান্স আসলে হয়তো বা উপযুক্ত চিকিৎসা পেতে পারতো।এবং মা এবং শিশু উভয়েই সময়মত চিকিৎসা পেলে জিবিতে না গিয়ে এই হাসপাতালেই সুস্থ থাকতে পারতো। এক্ষেত্রে অভিযোগের তীর হাসপাতাল কর্তিপক্ষের বিরূদ্ধে।অভিযোগ তেলিয়ামুড়া মহকুমা হাসপাতালে ১০২ অ্যাম্বুল্যান্সসহ চারটি অ্যাম্বুল্যান্স থাকা সত্বেও প্রায় সময়ই এলাকার গরীব লোকদের জিবি বা আইজিএম এ রেফার করলে হাসপাতাল কর্তি পক্ষ এম্বুলেন্স পরিষেবা দিতে রুগীকে হয়রানি করে।ঘটনায় অন্ধ ধৃতরাষ্ট্রের ভূমিকায় হাসপাতালের RKS (রুগী কল্যান সমিতি )কমিটি। এ নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই চাপা ক্ষোভ বইতে শুরু করেছে।



