তেলিয়ামুড়া টাউন হলে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর ত্রিপুরা সরকারের উদ্যোগে এবং খোয়াই জেলা শিক্ষা দপ্তরের ব্যাবস্থাপনায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠান শুরু থেকেই ছিল অগোছালো, বিশেষ করে যেভাবে শিক্ষা দপ্তরের অনুষ্ঠানের মধ্যে নিয়মানুবর্তিতা থাকার কথা ছিল তার ধারে কাছেও গিয়ে পৌঁছতে পারেনি সোমবারের এই অনুষ্ঠান।মঞ্চে শিক্ষা অধিকর্তা চাঁদনী চন্দ্রনে’র উপস্থিতির মাঝে যখন উদ্বোধক রাজ্যের জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা সুকান্ত জন্মজয়ন্তী’র প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে আলোচনা করছিলেন তখন দেখা গেল বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে আগত শিক্ষক শিক্ষিকারা মোবাইল নিয়ে ব্যাস্ত। ছাত্রছাত্রীরা খেলার মাঠের মতো করে দৌড়াদৌড়ি করছে। গোটা অনুষ্ঠানে না ছিল সংস্কৃতিক পরিবেশনায় রুচিবোধের ছোঁয়া, না ছিল উদ্যোক্তাদের সদিচ্ছার প্রতিফলন।খবর নিয়ে জানা গেছে,, “টাকা লাগে তো দেবে গৌরী সেন” এই মানসিকতায় শিক্ষা দপ্তরের একাংশ আধিকারিকেরা সোমবার এই অনুষ্ঠান মঞ্চকে ব্যাবহার করে টু পাইস ভালোভাবেই কামিয়ে নিয়েছেন কারণ সামনে যে দেবী দুর্গার আরাধনা।যদিও তেলিয়ামুড়া শহর লাগুয়া বেশ কয়েকটা বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে জোর করে ঘটা করে সুকান্ত জন্মজয়ন্তী প্রতিপালনের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল তবে শেষমেষ শিক্ষা দপ্তর আয়োজিত এই সুকান্ত জন্মজয়ন্তীর রাজ্যস্থরীয় অনুষ্ঠান যে বড়সড় ডিম্ব প্রসব করেছে তা কিন্তু এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে।এই অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা ছাড়াও দপ্তরের বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকেরা ছিলেন কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে স্থানীয় বিধায়ক থেকে শুরু করে কল্যাণপুরের বিধায়কও এই অনুষ্ঠানে আসেন’নি।সব মিলিয়ে বলা চলে সংস্কৃতির শহর বা রুচিবোধের শহর হিসেবে পরিচিত তেলিয়ামুড়ার মঞ্চকে ব্যাবহার করে সোমবার শিক্ষা দপ্তরের একাংশ কর্তা ব্যাক্তিরা সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মজয়ন্তী পালন করার করতে গিয়ে রীতিমতো স্মরণীয় হয়ে রইলেন।



