খোয়াই প্রতিনিধি ১১ ই আগস্ট…শুক্রবার বিকেলে খোয়াই উত্তর শিঙি ছড়ার চেরমা এলাকাতে প্রাথমিক প্রাণী চিকিৎসা লয়ের শুভ দার উদঘাটন অনুষ্ঠিত হয়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রদীপ প্রজ্জলন ও ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ করেন খোয়াই জিলা পরিষদের সদস্য সুব্রত মজুমদার।এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দাস, প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আধিকারী প্রাণ কুমার দাস, গ্রামের প্রধান নিসারানি সরকার,প্রধান কিশোর পাল,জনজাতি মোর্চার রাজ্য কমিটির সম্পাদক রমেন সাঁওতাল ,পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান টিঙ্কু চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা।এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আলোচনা করতে গিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দাস ওনার দীর্ঘ আলোচনা তে তিনি তুলে ধরার চেষ্টা করেন আজকের এই উদ্বোধন এই এলাকার জনগণের অনেকটাই সুবিধা হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন তিনি বলবার চেষ্টা করেন রাজ্যে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার স্বার্থে রাজ্য সরকার তথা কেন্দ্রীয় সরকার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এরই নজির আজ উত্তর সিঙ্গিছড়া এলাকাতে ২২ লক্ষাদিক টাকা খরচ করে পশু চিকিৎসালয় তৈরি করা হয়েছে এতে এই এলাকার জনগণ উপকৃত হবেন গৃহপালিত পশুগুলিকে টিকা প্রদান থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন। তাছাড়া আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্বোধক সুব্রত মজুমদার উনার দীর্ঘ আলোচনা করতে গিয়ে বলেন রাজ্য সরকার তথা কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামীণ অর্থনীতিকে উন্নত করার স্বার্থে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন তার সুবিধা গ্রামীণ এলাকার জনগণ গ্রহণ করছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেন মুখ্যমন্ত্রী গৌ ধন প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রচেষ্টা চলছে জোর কদমে। প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর পক্ষ থেকে ১৯৬২ হেল্প লাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে, এতে পশু পালনকারীরা পশু পালনের ক্ষেত্রে কোন অসুবিধার সম্মুখীন হলে এই হেল্পলাইনে যোগাযোগ করলে পূর্ণ সহযোগিতা করছেন প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের পক্ষ থেকে। শ্রী মজুমদার এও বলেন গ্রামীণ অর্থনীতির কথা চিন্তা করে রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণকে সাহায্য করার প্রচেষ্টা জারি রেখেছেন আগামী দিনও আরো প্রচেষ্টা জারি থাকবে গ্রামীণ অর্থনীতিকে কিভাবে চাঙ্গা করা যায়।কারণ গ্রামীন অর্থনীতির উপর নির্ভর করেই রাজ্য এবং দেশ এগিয়ে যায় তাই গ্রামীন অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সরকার বদ্ধ পরিকর।এর জন্যই বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে এই ধরনের প্রাথমিক প্রাণী চিকিৎসা কেন্দ্র তৈরি করা হচ্ছে।যাতে করে গৃহ পালিত পশু পাখিরা অসুস্থ হলে তাদেরকে খোয়াই পশু হাসপাতালে নিয়ে আসতে না হয় প্রাথমিক চিকিৎসাটা ওখানেই হবে।এরপরও যদি পশু পাখিদের গুরুতর কিছু হয় তাহলে সেই হেল্প লাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করলে চিকিৎসা পরিষেবাটা পেয়ে যাবে বলে মনে করেন।কারণ গ্রামের মানুষেরা বিভিন্ন গৃহপালিত পশু হাঁস, মুরগি, শুকর,ইত্যাদি লালন পালন করে নিজেদের সংসার প্রতিপালন করে।আর যদি চিকিৎসার অভাবে এই সকল গৃহপালিত পালিত পশু গুলি মারা যায় তাহলে এই গ্রামের মানুষের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ একেবারে ভেঙে পড়ে,আর তা তো করে এই ক্ষতির প্রভাব পরে রাজ্যে এবং দেশে।কারণ গ্রামীন অর্থনীতি যদি চাঙ্গা না হয় তাহলে কখনোই দেশ এবং রাজ্য এগিয়ে যেতে পারে না বলে মনে করেন জিলা পরিষদের সদস্য সুব্রত মজুমদার।এই গ্রামীন অর্থনৈতিক বুনিয়াদকে শক্ত এবং চাঙ্গা করার লক্ষ্যে সরকার এই ধরনের প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ করছে।



