মাহফুজ মিয়ার মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কাঠালিয়া হাসপাতালে পাঠানো মৃত দেহটি।ঘটনা বুধবার বেলা ১১ টায়,যাত্রাপুর থানার অন্তর্গত ভবানীপুর পঞ্চায়েত এলাকার পশ্চিম ভবানীপুর দুর্লভপুর গ্রামে এদিকে যাত্রাপুর থানার পুলিশ সন্দেহভাজন পাশের বাড়ির মিঠুন চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে।স্থানীয় লোকের মুখে যতটুকু খবর গত রাতে পাশের বাড়িতেই অন্য যুবকদের সাথে গভীর রাত পর্যন্ত ছিল।বাড়িতে আসিনি রাত্রিবেলায়, সকালবেলায় পরিবারের অন্যান্য লোকজন এবং তার গর্ভধারিণী মা চতুর্দিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে।কিন্তু কোথায় গেল তার কোন সন্ধান নেই।সে একজন কৃষিজীবী বুধবার আবার তার জমিতে রোয়া লাগানোর জন্য বাড়িতে শ্রমিক এসে হাজির। কিন্তু মালিকের দেখা নেই।এই অবস্থায়,গর্ভধারিণী মা দেখতে পায় বাড়ির পাশেই একটি বক্স কারবারের নিচে কাপড় দিয়ে মোড়ানো কি জানি একটা কিছু,তখন,মা নালার ভিতরে নেমে দেখতে পায় কাপড় সরিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলে মাহফুজ মিয়া।সঙ্গে সঙ্গে থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে যাত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার সুব্রত দেবনাথ, ইন্সপেক্টর অরুপ দেববর্মা, সাব ইন্সপেক্টর তপন দাস সহ এক ঝাক পুলিশ টিএসআর ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহের চতুর্দিকে করিডোর পরে রাখে। কিছুক্ষণ পরই এফ এস এল টিম গিয়ে হাজির হয় বিকেল চারটা অব্দি,তখনই মৃত দেহটি উপরে তোলা হয়,ঘটনাস্থলেই যাত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার সুব্রত বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান এই মুহূর্তে আমাদের সবকিছু বলা যাচ্ছে না তদন্ত সাপেক্ষে,তবে খুব দ্রুত এর রহস্য উদঘাটন করা হবে,এবং একজনকে জিজ্ঞাসাবাদ জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে,তবে মৃতদেহের গায়ে কোন আঘাতের চিহ্ন নেই,তারপরও এই মুহূর্তে ঘটনাটির রহস্য সম্পর্কে পরিষ্কার কিছু বলা যাচ্ছে না।



