খোয়াই প্রতিনিধি ২শরা আগস্ট…..২০২৩ সালের রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনের পর বিভিন্ন মহকুম এবং জেলা স্তরের কংগ্রেস দলের বিভিন্ন শাখা সংগঠনকে মজবুত করার লক্ষ্যে বুধবার দুপুরে খোয়াই সফরে আসেন কংগ্রেস দলের নব নিযুক্ত সভাপতি আসিস কুমার সাহা ঐ দিন তিনি সফর কালে খোয়াই কংগ্রেস ভবনে দলীয় কর্মকর্তাদের নিয়ে এক সভার আয়োজন করেন দলের সংগঠনকে মজবুত করার জন্য। পাশাপাশি কংগ্রেস ভবনে এক প্রেস মিটের ও আয়োজন করা হয়।উক্ত প্রেস মিটে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস জলের সভাপতি আশীষ কুমার সাহা,প্রাক্তন সভাপতি দীব্বা চন্দ্র রংখল,প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক তথা আইনজীবী প্রশান্ত সেন চৌধুরী ,তপশিলি জাতি মোর্চার কংগ্রেস দলের চেয়ারম্যান নিরঞ্জন দাস,কংগ্রেস দলের জেলা সভাপতি শব্দ কুমার জমাতিয়া ,মহিলা কংগ্রেস সভা নেত্রী সর্বাণী ঘোষ চক্রবর্তী সহ অন্যান্য।এদিন কংগ্রেস ভবনে পেস মিট করতে গিয়ে কংগ্রেস দলের নব নিযুক্ত সভাপতি আশীষ কুমার সাহা বলেন তিনি নিযুক্ত হবার পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ও মহকুমাতে গিয়ে সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা করেছেন সংগঠনকে মজবুত করার লক্ষ্যে তেমনি ভাবে বুধবার দুপুরে খোয়াই সফরে আসেন তিনি । যাতে করে খোয়াই জেলার সমস্ত নেতৃত্ব ও কর্মীদের সাথে মিলিত হয়ে বিভিন্ন শাখা সংগঠনকে পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক রূপ দিয়ে পরিকাঠামো গত উন্নয়নের লক্ষ্যে দলীয় কর্মী এবং নেতৃত্বদের কে নিয়ে আলোচনা টেবিলে বসবেন আগামী দিন কিভাবে কাজ করবেন সেই রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করা হবে।রাজ্যের বর্তমান অবস্থার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন বর্তমানে রাজ্যের জনগন নীরাস জনক অবস্থায় রয়েছে।পাশাপাশি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে বলেও মন্তব্য করেন।২০১৮ সালের জনপ্রিয় বিজেপি সরকারের জনপ্রিয়তা ২০২৩ সালে এসে একেবারে তলা নিতে গিয়ে ঠেকেছে ।শাসক দলের মধ্যে একটি গোষ্ঠী কুন্দলের কারণেই হোক বা জনপ্রিয়তা হারানোর কারণেই হোক নানাভাবে রাজ্যের মানুষকে ভয়-ভীতি,ও সন্ত্রাসের মধ্যে ঠেলে দিয়ে নিজের দলকে কিভাবে জনসমর্থন আদায়ের ক্ষেত্রে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় এবং এর পাশাপাশি সামনে নির্বাচন গুলিতে জনসমর্থনের পাল্লা ভারী করা যায় এর জন্য সমস্ত কর্মী কার্যকর্তা সমস্ত ক্যাবিনেটের লোকেরা সবাই মিলে একযোগে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দিয়েছে।আর তাতে করে রাজ্যের প্রশাসন একটি স্থবির অবস্থায় পৌঁছে গেছে।আর তাতে করে রাজ্যের উন্নয়ন মূলক কাজ বিকাশের গতি প্রকৃতি একেবারে থমকে গিয়েছে।তাতে করে কোনো পরিবর্তন হয়নি রাজ্যের এবং রাজ্যের মানুষের ।শুধু তাই নারাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা স্বচ্ছ ভাবে কাজ করতে চাইলেও বা ওনার কোন আদেশ বা নির্দেশকে উনার দলের কর্মকর্তারা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশকে কলাপাতা ভেবে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছেন।তাতে করেই দলের মধ্যে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বিশৃঙ্খলা।এছাড়া ২০১৮ সালে সুশাসনের নাম করেবিজিবি সরকার ক্ষমতায় এসেছেন।আর সেই সুশাসনের নাম করে রাজ্যবাসীর সাথে চলছে প্রহসন।আর তাতে করে বর্তমান সময়ে ৬১ শতাংশের উপর জনমত সরকারের বিরুদ্ধে।রাজ্যের বেকার ঢুকছে বেকার সমস্যায়,পাশাপাশি রাজ্যের শূন্য পদের সংখ্যা দিন বেড়েই চলেছেসেদিকে সরকারে কোন দৃষ্টিপাত নেই ।অন্যদিকে বহি রাজ্যের বিভিন্ন ঠিকাদার সংস্থাগুলিকে রাজ্যে এনে ঠিকাদারির কাজ করানো হচ্ছে আর তাতে করেরাজ্যের বেকাররা রোজগার বিহীন হয়ে পড়ছেদিন দিন।এভাবে যদি সরকার চলতে থাকে তাহলে আগামী দিন রাজ্যের জন গণ অন্য চিন্তা করতে বাধ্য হবেন।এই ধরনের আরো অনেক কিছু নিয়ে রাজ্য বিজেপি সরকারের নিন্দায় সড়ব ছিলেন কংগ্রেস দলের নবনিযুক্ত সভাপতি আশীষ কুমার সাহা।



