Tuesday, March 17, 2026
বাড়িখবরশীর্ষ সংবাদখোয়াই মহাকুমা শাসক ও রেশন ডিলার এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন...

খোয়াই মহাকুমা শাসক ও রেশন ডিলার এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়

খোয়াই প্রতিনিধি. ২১ শে জুলাই….শুক্রবার সকাল ১১ টায় খোয়াই মহাকুমা শাসকের কার্যালয়ে খোয়াই মহকুমা শাসকের রিক্রিয়েশন সোসাইটি এবং রেশন ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে. এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়।উক্ত রক্তদান শিবিরের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মৎস মন্ত্রী সুধাংশু দাস এদিন রক্তদান শিবিরে প্রদীপ প্রজ্বলন ও রক্তদান শিবিরের ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।এই দিন অনুষ্ঠানটি মহকুমা শাসকের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।উক্ত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সুধাংশু দাস ছাড়া অন্যান্য দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জেলা শাসক দিলীপ কুমার চাকমা,মহকুমা শাসক বিজয় সি্নহা,খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি জয়দেব দেববর্মা,সদস্য সুব্রত মজুমদার,পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান তাপস কান্তি দাস ,খোয়াই জেলা হাসপাতালের চীফ মেডিকেল অফিসার নির্মল সরকার,খোয়াই পুরো পরিষদের চেয়ারম্যান দেবাশীষ নাথ শর্মা, ডিলার এসোসিয়েশনের সভাপতি বাদল দাস সহ আরো অনেকে,এদিন রক্তদান শিবিরের বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের মৎস মন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন রক্তের কোন বিকল্প নেই কারণ এটি মানব দেহ ছাড়া কেউ তৈরি করতে পারে না বা হয়না। আজ বিজ্ঞান অনেক দূরে চলে গেছে এর পরও জীবন দায়ী রক্ত বিজ্ঞান তৈরি করতে পারিনি অথচ বিজ্ঞান রোবট বানিয়েছে আজ চাঁদে রকেট যাচ্ছে অনেক উন্নত করেছে বিজ্ঞান কিন্তু রক্ত তৈরির ক্ষেত্রে বিজ্ঞান আজও অসহায়।অথচ দেখা গেছে যখনই রক্তের সংকট তৈরি হয়েছে তখনই কিছু উচ্চ মনের গুণসম্পন্ন মানুষেরা রক্তদানের ক্ষেত্রে এগিয়ে এসে রক্ত দিয়ে মুমূর্ষ রোগীদের কে বাঁচিয়েছে এবং বাঁচাচ্ছেন।এই রক্তদান শিবিরে উদ্যোক্তাদের সাধুবাদ জানাতে গিয়ে মৎস্য মন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন ত্রিপুরা রেশন ডিলার পরিচালনা সমিতি শুধু নিজেদের মুনাফার কথায়ই চিন্তা করেনা এর পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এই ধরনের রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছেন এর জন্য মন্ত্রী সুধাংশু দাস রেশন ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালনা কমিটির কার্য কর্তাদের সাধু বাদ জানান।এদিন রক্তদান শিবিরে ৪০ জন স্বেচ্ছায় রক্ত দান করেন।রক্তদান বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি এও বলেন যে দেখা গেছে 1942 সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রচুর সংখ্যক সেনাবাহিনী যুদ্ধে আহত হয়ে রক্তাক্ত হয়েছে তখন তাদেরকে বাঁচাতে রক্তের প্রয়োজন হয়ে পড়ে আর তখনই ভারতবর্ষে প্রথম ব্লাড ব্যাংকের সূচনা হয়।এবং আহত সৈনিকদের বাঁচাতে একটি প্রয়াস চালানো হয়ো।দেখা গেছে ১৮০০ শতাব্দীতেরক্ত দেবার প্রচলন ছিল না সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমরা খুবই কৃতজ্ঞ থাকব সেই ব্যক্তির কাছে যিনি রক্তের বিভিন্ন গ্রুপ তৈরি করেছিলেন এবং এক দেহ থেকে অন্য দেহে রক্ত প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি হলেন সালে কারবা ল্যান্ডস্টেটনার তিনিই প্রথম রক্তের গ্রুপ তৈরি করেন এবং রক্ত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেন ১৯০১ সালে।তাই প্রত্যেকটি মানুষকে প্রত্যেকটি মানুষের উপর নির্ভর করেই চলতে হয় তাইতো একজন অপরকে রক্ত দিয়ে থাকে ।ভারতবর্ষের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে প্রতিদিন ভারতবর্ষে রক্তের প্রয়োজন পড়ে ৪০.৬ মিলিয়ন রক্তের।কিন্তু দুই মিলিয়ন এর উপর রক্তের ঘাটতি প্রতিদিন থেকেই থাকে তাই তিনি সমস্ত ক্লাব,সামাজিক সংস্থা,বিভিন্ন এনজিও,সহ সমাজের সমস্ত অংশের জনগণের কাছে অনুরোধ করেন যাতে রক্ত দানের মতন মহৎ কাজে সমাজে প্রত্যেকটি অংশের মানুষ এগিয়ে এসে মুমূর্ষ রোগীদের বাঁচাতে নিজেদের হাত বাড়িয়ে দেন।এই মহতি কাজের জন্য মন্ত্রী সুধাংশু দাস রক্তদান শিবিরের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং যারা যারা রক্তদেন তাদের সাথে কথা বলেন মন্ত্রী সুধাংশু দাস ।এরপর তিনি সেখান থেকে .চলে যান. খোয়াই বারোবিল এলাকাতে সেখানে গিয়েবেশ কিছু বাগিচা ফসল ও বেশ কিছু ফল বাগান পরিদর্শন করেন ।বিভিন্ন ফলবাগান দেখে তিনি খুবই আনন্দিত যে আগামী দিন ত্রিপুরা রাজ্যও বিভিন্ন ফল মূলের দিক দিয়ে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চলেছে আর যারা এই ধরনের বাগিচা ফসল ওফুলবাগান গুলি করছেন তাদেরকে উৎসাহিত করেন।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

five × one =

- Advertisment -spot_img

জনপ্রিয় খবর

সাম্প্রতিক মন্তব্য