খোয়াই প্রতিনিধি ২রা জুলাই….খোয়াই দশরথ দেব মেমোরিয়াল কলেজের ভিতর কিছু বহিরাগত উশৃংখল যুবকদের কারণে কলেজের লেখাপড়া করা ছাত্র-ছাত্রীদের বর্তমান সময়ে ব্যাপক বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।শুধু তাইনা বহিরাগত কিছু উশৃংখল যুবকদের কারণে রক্তাক্ত কলেজের এক ছাত্র।অন্যদিকে কলেজের অধ্যক্ষ ঠুঠু জগন্নাথ হয়ে বসে রয়েছেন ।এই বিষয়ে ঘটনার বিবরণ দিয়ে খোয়াই দশরথ দেব মেমোরিয়াল কলেজর তৃতীয় বর্ষের ছাত্র শুভ দেবনাথ জানান শনিবার দুপুরে কলেজে জান ফিজিওলজির ষষ্ঠ সেমিস্টারের প্রজেক্টজমা দেওয়ার জন্য।কলেজে গিয়ে শুভ দেবনাথ একটি ক্লাসরুমে প্রজেক্ট জমা করতে গেলে বহিরাগত কিছু যুবক শুভ দেবনাথ কেপ্রজেক্ট জমা দিতে বাধা প্রদান করে।তাতে করে শুভ দেবনাথ এর সাথে বহিরাগতদের ঝামেলা বাঁধে এবং জোর করে প্রজেক্ট জমা দিতে গেলে বহিরা গতদের মধ্যে থেকে একজন শান্ত বিশ্বাস নামে এক যুবক হঠাৎ করে এসেশুভ দেবনাথ কে মারতে থাকে এতে করে শুভ দেবনাথডান হাতের মধ্যমা আঙ্গুলটিকেটে গিয়ে রক্তপাত শুরু হয়।এই ঘটনার পরশুভ দেবনাথ সহ তার অন্যান্য সহযোগীরা প্রাণভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়।এবং শুভ দেবনাথ সহ অন্যান্য ছাত্রদের বহিরাগত যুবকরা হুমকি দেয় দ্বিতীয়বার প্রজেক্ট জমা করতে আসলে তাদের জন্যখারাপ হবে।এই Perfect যদিও কলেজের অধ্যক্ষ ভূষণ চন্দ্র দাস কে জানানো হলে তিনি সোজা ছাত্রদের বলে দেন থানায় মামলা করতে।তিনি কোন পদক্ষেপ নিতে পারবেন না এই বিষয়ে।শেষে শুভ দেবনাথের সহপাঠীরা প্রথমে শুভ কেচিকিৎসার জন্য খোয়াই জেলা হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা করানএবং আঙ্গুলটিতে ব্যান্ডেজ করিয়েনিয়ে আসেন।শেষে শুভ দেবনাথ সহ অন্যান্য ছাত্ররা খোয়াই থানায় মামলা করেন লিখিতভাবে বহিরাগত যুবক শান্ত বিশ্বাস সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে।কিন্তু বিকেলের দিকে জানা যায় খোয়াই থানাতাদের লিখিত অভিযোগ ফিরিয়ে দেন এবং তাদেরকে বলে দেন বিষয়টি কলেজের অধ্যক্ষের সাথে বোঝাপড়া করতে।এর থেকে বোঝা যায় ওরা মামলা করার সাথে সাথে উপর মহল থেকে থানায় নির্দেশ আসে যাতে করে ছাত্রদের অভিযোগটি না রাখা হয় এত করে ছাত্ররা বিপাকে পড়ে যায় পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতায় ও ভুগছিলছাত্র।অধ্যক্ষ কিছু করবে না সেটা ছাত্ররা আগেই বুঝেছিল যে কাজের কাজ কিছুই হবে না শেষে ছাত্ররা থানা থেকে খালি হাতে ফিরে আসে।এই বিষয়ে কলেজের বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রীদের সাথেকথা বলে জানা যায় বর্তমানে খোয়াই কলেজেপঠন পাঠনের মান একেবারেই নিম্ন গতিতে চলছে ।কলেজের সমস্ত কিছু পঠন পাঠন থেকে শুরু করেকে কোন ক্লাস করবে কে কোন ধরনের দপ্তর চালাবেন এই সমস্ত আরো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মাতব্বরি করছে খোয়াই দশরথ দেব মেমোরিয়াল কলেজে বহিরাগত কিছু যুবকরা।আর তাদের সাথে তালমিলিয়ে কাজ করছেন কলেজের অধ্যক্ষ ভূষণ চন্দ্র দাস।তাই যদি না হতো তাহলে ছাত্রদের উপর আক্রমণের পর স্বয়ং অধ্যক্ষ নিজে থানায় খবর দিয়ে এই বিষয়টিকে দেখার জন্য নিজে তদারকি করতেন এবং পুলিশকে সাহায্য করতেন।কিন্তু তিনি তা না করে থানায় মামলা করতে ছাত্রদের সোজা থানায় পাঠিয়ে দেন নিজের পিঠ বাঁচাতে।যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে বহিরাগত দুষ্কৃতীদের কারণে খোয়াই দশরথ দেব মেমোরিয়াল কলেজের পটন পাঠন একে বারে লাটে উঠবেএবং ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে তলিয়ে যাবে কলেজের অধ্যক্ষের কারণে বলে মন্তব্য করেন অনেক ছাত্র-ছাত্রী।আর অন্যদিকে খোয়াই দশরথ দেব মেমোরিয়াল কলেজের অধ্যক্ষ কিছু বহিরাগত উশৃংখল যুবকদের তাবেদারি করতে সর্বদা ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে তাই কলেজের ছাত্রদের উপর বহিরাগতরা আক্রমণ করলেও কলেজের অধ্যক্ষ তাদেরকেই ওতপ্রোতভাবে মদত করে চলেছে বলেজানা যায়।এই যদি চলতে থাকে তবে আগামী কিছুদিনের মধ্যেএই ধরনের ঘটনা খোয়াই কলেজে প্রতিনিয়ত ঘটবে বলে ধারণা করছে ছাত্র-ছাত্রীরা।কারণ কলেজের অধ্যক্ষের কারণে বহিরাগতরা ব্যাপক আস্কারা পেয়ে গেছে তাইএ ধরনের ঘটনা ঘটছে খোয়াই দশরথ দেব মেমোরিয়াল কলেজে।



